রাজধানীর কারওয়ান বাজার, রামপুরা, মালিবাগ ও সেগুনবাগিচা বাজার ও এসব এলাকার পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোর ঘুরে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বড় বাজারে প্রতি ডজন ফার্মের মুরগির বাদামি রঙের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। অর্থাৎ ১০ টাকা পিস। পাইকারিতে দরদাম করে ১১৫ টাকাও কেনা যাচ্ছে। তবে, পাড়া-মহল্লার খুচরা দোকানে এখনো ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, গত একমাসে বাজারে ডিমের দাম সাড়ে ২১ শতাংশ কমেছে। গত মাসে প্রতি হালি ডিমের দাম ছিল ৫০ থেকে ৫২ টাকা, যা এখন ৩৭ থেকে ৪৩ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।
.png)
পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত তিনমাস আগে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছিল ডিমের দাম। সেসময় থেকে ডিমের উৎপাদন বাড়াতে শুরু করেন খামারিরা। যে ডিমগুলো এখন বাজারে আসছে। এ কারণে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অনেক বেড়েছে। প্রতিদিন-ই পাইকারি বাজারে প্রতি একশো ডিমের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা করে কমছে।
এদিকে পাইকারিতে ফার্মের মুরগির সাদা রঙের প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। প্রতি ১০০টি সাদা ডিম ৮০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। আর বাদামি রঙের ডিম বিক্রি হচ্ছে ৮৮০ থেকে ৯২০ টাকায়।
আজমপুর কাঁচাবাজারের ডিম বিক্রেতা সাঈদ মিয়া বলেন, পাইকারিতে ১০০টি বাদামি ডিম কিনতে ৯২০ টাকার মতো লাগছে। যা পরিবহন ও অন্যান্য খরচ মিলে ৯৫০ টাকা পড়ছে। ডিমের দাম কমায় বেচাকেনাও ভালো হচ্ছে।