ম্যাজিস্ট্রেট এলেই পাল্টে যায় বাজারের চিত্র
ভ্রাম্যমাণ আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট অভিযানে এলেই পাল্টে যায় বাজারের দৃশ্যপট। মুহূর্তেই কমে যায় সব জিনিসের দাম। অনেক ব্যবসায়ী কম দামের মূল্যতালিকা টাঙাতে শুরু করেন। খুলে নেন বাড়তি দামের তালিকা। কিন্তু আদালত চলে গেলে ব্যবসায়ীরা আবারও আগের অবস্থায় ফিরে যান।
সোমবার রাজধানীর বনানীর কাঁচাবাজারে অভিযান চালান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ভ্রাম্যমাণ আদালত। ঘণ্টাব্যাপী অভিযানের সময় বনানী কাঁচাবাজারে দেখা যায়- সব দোকানেই অধিকাংশ পণ্যের দাম কম। কিন্তু অভিযানের আগেই ছিল চড়া দাম।
অভিযান শুরুর আগে অনেক দোকানে সোনালি মুরগির দাম প্রতি কেজি ৩৩০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। মূল্যতালিকায়ও এ দাম লিখে রাখা হয়। কিন্তু সরকার নির্ধারিত দাম ২৬২ টাকা।
.png)
রায়হান নামে এক ক্রেতা বলেন, ম্যাজিস্ট্রেট অভিযানে এলেই সব দোকানি দাম কম চান। আবার ম্যাজিস্ট্রেট চলে গেলে যা তাই। তখন আবার বাড়তি দাম চাওয়া হয়। এসব ব্যবসায়ীকে ধরে জরিমানা করতে হবে। শাস্তি দিতে হবে।
এদিন বেশি দরে মুরগি বিক্রি করেও জরিমানা গুনতে হয়নি বিক্রেতাদের। প্রাথমিকভাবে তাদের সতর্ক করে দাম সংশোধন করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জুলকার নায়ন বলেন, প্রথমে সতর্ক করছি। আমাদের টিম নিয়মিত বাজার মনিটরিং করবে। ভবিষ্যতে হেরফের হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।