বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পর্যালোচিত ছয় মাসের মধ্যে মোট পাঁচ মাসেই প্রবাসী আয় ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। এর মধ্যে গত আগস্ট মাসে সর্বোচ্চ ২২ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। চলতি বছরের মার্চে ৩৭৫ কোটি ডলার আসার পর এপ্রিলে ৩১৩ কোটি এবং মে মাসে এসেছে ৩৪৩ কোটি ডলার। জুনে প্রবাহ কিছুটা স্থির (২৮১ কোটি ডলার) থাকলেও জুলাইয়ে তা আবার বেড়ে ২৮৬ কোটি ডলারে দাঁড়ায়। এরপর আগস্টে আসে ২৯৬ কোটি ডলার।
এই ছয় মাসে দেশের রেমিট্যান্সের সবচেয়ে বড় উৎস ছিল মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি দেশ। এর মধ্যে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ৩০৮ কোটি ৮ লাখ ডলার এসেছে। এ ছাড়া যুক্তরাজ্য থেকে ২৯৪ কোটি ২ লাখ, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ২২৬ কোটি ৭২ লাখ, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৭১ কোটি ৬৫ লাখ এবং মালয়েশিয়া থেকে ১৪৮ কোটি ৭০ লাখ ডলার দেশে এসেছে। মূলত এই পাঁচ দেশ থেকেই মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ৬০ দশমিক ৭ শতাংশ আয় পরিবাহিত হয়েছে।
.png)
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের ওপর প্রবাসীদের আস্থা বৃদ্ধি এবং হুন্ডি নিরুৎসাহিত করতে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলোর কারণেই এই প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ইতিবাচক ধারা বজায় থাকলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি সামগ্রিক সামষ্টিক অর্থনীতিতে আরও স্থায়িত্ব আসবে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।