গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও গণ বিশ্ববিদ্যালয় স্থিরচিত্র প্রতিযোগিতা
বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও গণ বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত পাবলিক হেল্থ বিশেষ আলোকচিত্র প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও নির্বাচিত ছবি প্রদর্শন করা হয়েছে।
শনিবার (১১ ডিসেম্বর) গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পিএইচএ মিলনায়তনে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে প্রতিযোগিতার ৮ বিজয়ী ও ২১ অনারেবলকে ১ লাখ ৮ টাকার প্রাইজমানি, সম্মাননা স্মারক, সনদ, বই ও বাঁধাই করা ছবিসহ বিভিন্ন উপকরণ প্রদান করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) ডা. দেলওয়ার হোসেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. মনজুর কাদের আহমেদ, মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন বিভাগের পরিচালক ডা. তারিকুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. এস. তাসাদ্দেক আহমেদ, বাংলাদেশের প্রথম স্বর্ণপদক লাভকারী আলোকচিত্রশিল্পী হাসান সাইফুল উদ্দিন চন্দন, গণ বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফিক সোসাইটি সভাপতি মো. রাকিবুল হাসান, গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ ফটোগ্রাফিক ক্লাবের সভাপতি আরিফ ইসতিয়াক।
.png)
অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হোন গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপচার্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. লায়লা পারভীন বানু ও ক্যাপ্টেন (অবঃ) ডা. সিতারা বেগম (বীরপ্রতীক)।
পরে লাল ফিতা কেটে প্রথম প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন অতিথিরা। সংশ্লিষ্টরা জানান, এই প্রদর্শনী ৭দিন ব্যাপী চলবে। তারপর গণ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে ছবিগুলো প্রদর্শন করা হবে।
জিবিপিএস সভাপতি মো. রাকিবুল হাসান বলেন, আজ অন্তত আনন্দের, গৌরবের এবং মনে রাখার মতো একটি দিন। কেননা, আমরা অসংখ্য আলোকচিত্র প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে পারবো, প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে করবো। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সুবর্ণজয়ন্তীতে আরেকটি আলোকচিত্র প্রতিযোগিতার আয়োজন কিংবা অংশগ্রহণ করতে পারবো না। আমাদের জন্য এই আয়োজন ছিল একটি বড় সুযোগ। বিজয়ীদের জানাচ্ছি অভিনন্দন ও শুভ কামনা।
অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে বৃক্ষরোপণ করা হয়।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের পহেলা মার্চ 'আলোকচিত্রীর চোখে ১৯৭১ এ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থান এবং ঐতিহাসিক স্থাপনাসমূহ' প্রতিপাদ্যে আলোকচিত্র প্রতিযোগিতার আয়োজন শুরু হয়। ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলে ছবি গ্রহণ। পরে ৪ সদস্যবিশিষ্ট জুরি প্যানেল গঠিত হয় এবং প্রধান বিচারক ছিলেন আলোকচিত্রী হাসান সাইফুদ্দিন। ৩০ নভেম্বর চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করে আয়োজকরা।
দ্যা পাবলিক হেল্থ প্রকল্পের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। এছাড়াও আয়োজনের টেকনিক্যাল পার্টনার হিসেবে বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক সোসাইটি এবং সহযোগিতায় ছিল গণ বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফিক সোসাইটি (জিবিপিএস) ও গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ ফটোগ্রাফিক ক্লাব ।