ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ পেলেন ঢাবির ৬৫ শিক্ষক

ঢাবি প্রতিনিধি 
প্রকাশিত: ১৫:০০, ২০ ডিসেম্বর ২০২১
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ পেলেন ঢাবির ৬৫ শিক্ষক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল (ফাইল ছবি)

গবেষণা প্রকল্পের জন্য জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৬৫ জন শিক্ষক। 

গবেষণা প্রকল্পের জন্য ২০২১-২০১২ অর্থবছরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কর্মসূচি’ খাত থেকে বিশেষ গবেষণা অনুদান পাবেন তারা। 

শনিবার (১৮ ডিসেম্বর) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে গবেষণা অনুদান প্রদানের লক্ষ্যে সুপারিশ করা তালিকা থেকে এ তথ্য জানানো হয়। 

Advertisement

এর আগে বুধবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে উপসচিব ড. মো. গোলাম মোস্তফা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

চলতি বছর ৬৩৮টি গবেষণা প্রকল্পের অনুদানের জন্য নির্বাচিতদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কর্মসূচি’ খাত থেকে যে সব প্রকল্প প্রস্তাবের পিয়ার রিভিউ কমিটি কর্তৃক বিশেষ গবেষণা অনুদান প্রদানের লক্ষ্যে সুপারিশ এবং অনুমোদন করা হয়েছে সেসব প্রকল্পে নিযুক্ত ফেলোশিপ প্রাপ্ত শিক্ষকদের নাম প্রকাশ করে। 

শিক্ষকগণ যৌথভাবে প্রতিটি গবেষণার জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। মনোনীত শিক্ষকগণ প্রতিটি গবেষণার জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে ২ লাখ থেকে ৪ লাখ টাকা করে অনুদান পাবেন। 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ বিষয়ক প্রকল্পের গবেষণার জন্য ১৯৭৭-১৯৭৮ অর্থবছর থেকে বিশেষ গবেষণা অনুদান দেয়ার কার্যক্রম শুরু হয়। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়/গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত/গবেষণারত এমএস, এমফিল, পিএইচডি এবং পোস্ট-ডক্টরাল পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের এই অনুদান প্রদান করা হয়। 

সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এই ফেলোশিপ প্রদান করা থাকে। সাধারণত তিনটি ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের এই ফেলোশিপ প্রদান করা হয়। প্রতি বছর বায়োলজিক্যাল সায়েন্স, মেডিক্যাল সায়েন্স, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড সায়েন্স, ফিজিক্যাল সায়েন্স ও ইন্টার-ডিসিপ্লিনারি গ্রুপসহ ছয়টি গ্রুপে গবেষণা অনুদান দেয়া হয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় উৎসাহ দেওয়াই এই ফেলোশিপের মূল উদ্দেশ্য। 

ভৌত, জৈব ও অজৈব বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও পরিবেশ বিজ্ঞান, নবায়নযোগ্য শক্তি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ন্যানোটেকনোলজি, জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং খাদ্য ও কৃষি বিজ্ঞান এসব বিষয়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপে আবেদন করা যায়। সাধারণত এপ্রিল-মে মাসে ফেলোশিপের দরখাস্ত আহ্বান করা হয়। ফেলোশিপের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক গবেষণা, বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নাল প্রকাশনার সুযোগ থাকে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেডএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!