বুধবার (১২ জানুয়ারি) বেলা বারোটার দিকে দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলা বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. সরওয়ার মোর্শেদ। সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সাড়ে ১১টায় বাংলা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে র্যালি বের করে। র্যালিটি রবীন্দ্র-নজরুল কলা ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে মিলিত হয়।

.png)
এ সময় বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মাহবুব মুর্শেদ, অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান, সহযোগী অধ্যাপক ড. বাকী বিল্লাহ বিকুল, ড. ইয়াসমিন আরা সাথী, রোজী আহমেদ, ফৌজিয়া খাতুনসহ বিভাগের অনান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

পৌষ উৎসবে ৩৭ রকমের পিঠা প্রদর্শন করানো হয়। হরেক রকমের পিঠার মধ্যে প্রেমপত্র পিঠা, ঝাল পাটি সাপটা, পিংক পিঠা, ভালবাসার গোলাপ, নকশী, দুধ সরু, পাতা নকশী, পাতা ,ঝাল পুলি, বিস্কুট , বরফি, পায়েস, ডিম সুতি, নকশী, পাটি সাপটা, বকুল, শঙ্খ, শুকনো, সিদ্ধ কুলি, দুধ চিতই এবং পায়েস পিঠা। পিঠার স্টলে দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ওয়াহিদা খানম আশা বলেন, শীত এতেই আমাদের দেশে বিভিন্ন আয়োজনের ধুম পড়ে। শীতকালকে সামনে রেখে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় নানান আয়োজন থাকলেও আমাদের ক্যাম্পাসে এমন আয়োজন চোখে পড়ে না। বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃফূর্ত অংশগ্রহণ দেখে গভীররাত পর্যন্ত করা কষ্ট স্বার্থক মনে হচ্ছে। এমন আয়োজন ধারাবাহিকতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অব্যাহত থাকুক এটাই প্রতাশ্যা।

বাংলা বিভাগের প্রফেসর ড. সরওয়ার মোর্শেদ বলেন, পৌষের সকালে সবার নতুন সাজ দেখে খুব ভাল লাগছে। তরুণ প্রজন্ম এরকম ভাল কাজ উপহার দিবে এটাই প্রত্যাশা। এই ব্যতিক্রমী আয়োজন সকলকে অনুপ্রেরণা যোগাবে।