ঘ ইউনিটের সমন্বয়কারী সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জিয়াউর রহমান এবং একই অনুষদের ১৬ বিভাগের চেয়ারপারসনকেও এই স্মারকলিপির অনুলিপি দেওয়া হয়।
সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) উপাচার্যের কার্যালয়ে তার হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা ও ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসাইন। এ সময় সংগঠনের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
.png)
স্মারকলিপিতে বলা হয়, শিক্ষার্থীরা উচ্চ মাধ্যমিকের পর ‘ঘ’ ইউনিটের (বিভাগ পরিবর্তন ইউনিট) মাধ্যমে নিজ নিজ গ্রুপ পরিবর্তনের সুযোগ পায়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে হুট করে ঘ ইউনিট বাতিলের নির্দেশনা দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত বিস্তারিত ও পরিষ্কার কোনও নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ করে স্ব স্ব অনুষদে ভর্তি পরীক্ষা নিলে সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রথম বর্ষেই সম্পূর্ণ নতুন একটি বিষয়ের মুখোমুখি হবে। যা তাদের অ্যাকাডেমিক সফলতার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে।
তারা আরো বলেন, লাখ লাখ ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অস্পষ্ট সিদ্ধান্তের কারণে ‘ধোঁয়াশার’ মধ্যে রয়েছে। অনেকেই ইতোমধ্যে ঘ ইউনিটের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছিল। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই বিষয়ে পরিষ্কার বক্তব্য দেওয়া উচিত।
এমতাবস্থায় স্মারকলিপিতে, শীঘ্রই ঘ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করে ১৯৭৩-এর অধ্যাদেশ মোতাবেক ওই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা পুনর্বহাল রেখে লাখ লাখ ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদেরকে আশ্বস্ত করার অনুরোধ করা হয়।
স্মারকলিপি দেওয়ার পর সংগঠনের ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসাইন বলেন, উপাচার্য ঘ ইউনিটের বিষয়ে দ্রুত স্পষ্ট ঘোষণা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। এছাড়া, বিভাগ পরিবর্তনের বিষয়ে সুযোগ রাখার নিশ্চয়তার কথাও বলেছেন। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্ত না এলে পরিষদ সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে।