ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

তবুও পার্কিং মুক্ত হলো না বৈশাখী চত্বর 

সিকৃবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:২৮, ২৪ মার্চ ২০২২
তবুও পার্কিং মুক্ত হলো না বৈশাখী চত্বর 
বৈশাখী চত্বর ফুচকা চত্বর নামেও অধিক পরিচিত।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) প্রাণকেন্দ্র বৈশাখী চত্বর। ক্লাসের ফাঁকে জায়গাটি সবসময় আড্ডা-গল্প-গানে মুখরিত থাকে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি বৈশাখী চত্বরে গাড়ি পার্কের বিষয়টি সিকৃবি নিরাপত্তা কমিটির নজরে আনলে প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নিলেও এর কয়েকদিন পর থেকেই পুনরায় গাড়ি পার্কিং লক্ষ্য করা গেছে। 

এরপর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ফেসবুক পোস্টে শিক্ষার্থীদের প্রথমে ইতিবাচক কমেন্ট করতে দেখা যায়। তবে এখন আবার পার্কিং শুরু হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে শিক্ষার্থীদের। 

বৈশাখী চত্বরে প্রকৃতির নির্মল ছায়ায় বসে ক্লাসের ফাঁকে ক্লান্ত শরীর জিরিয়ে নেয় শিক্ষার্থীরা। কখনোবা সেখানে শিক্ষার্থীদের আড্ডায় মেতে থাকতে দেখা যায়। জায়গাটি ফুচকা চত্বর নামেও অধিক পরিচিত।

Advertisement

কিন্তু অতি সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, এই স্থানে পার্কিং নিষেধ নোটিশ থাকা সত্ত্বেও কার-মাইক্রোবাস পার্কিং করা হচ্ছে। সারি সারি গাড়ির ভিড়ে শিক্ষার্থীরা মুক্ত বাতাসে নিশ্বাস নেওয়ার উপযুক্ত পরিবেশ পাচ্ছে না। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের রয়েছে বিস্তর ক্ষোভ ও অভিযোগ। 

১৫ ফেব্রুয়ারিতে পার্কিং বন্ধে প্রকাশিত সংবাদের ফেসবুক পোস্টের কমেন্টে সম্প্রতি ফাতেমা কলি নামের ফেসবুক আইডি থেকে লিখেছেন, একমাত্র ছায়ায় একটা বসার জায়গা, সেটা এখন গাড়ির আরামের জায়গা।

জুবায়ের আহমেদ সঞ্চয় লিখেছেন, কই কিসের পার্কিং বন্ধ হইলো?

ফাতিন মোবাররাত অলিক লিখেছেন, নিউজ টা কি আসলেই সত্যি! ফুচকা চত্বরে এখনতো মনে হয় আরও বেশি গাড়ি পার্কিং করে রাখা হয়।

এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চাইলে কৃষি অনুষদের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী মনিরা রহমান মীম বলেন, ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে আমরা ফুচকা চত্বরে এসে বসি। কিন্তু ছোট্ট এই জায়গাটিতে সারি সারি গাড়ি রাখার ফলে পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে। জায়গা সংকটের ফলে আমরা ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারি না।

ভেটেরিনারি, অ্যানিমেল ও বায়োমেডিকেল সায়েন্সেস অনুষদের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সোহান মিয়া জানায়, ক্যাম্পাসটি এমনিতেই ছোট। মুক্ত বাতাসের খোঁজে প্রায়শ আমরা ক্লাসের ফাঁকে লেকের ধারে অবস্থিত এই চত্বরে আসি। কিন্তু গাড়ি পার্ক করার ফলে আমাদের চলাফেরার অসুবিধা হচ্ছে।

এ নিয়ে যোগাযোগ করা হলে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দফতরের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. মোস্তফা সামসুজ্জামান নিরাপত্তা কমিটির সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।

এ ব্যাপারে নিরাপত্তা কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মালেক বলেন, এ মাসের ৯ তারিখে আমাদের একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বেশকিছু আলোচ্য সূচি ছিল। যার প্রথমে ছিল বৈশাখী চত্বরে মাইক্রোবাস-কার নিষিদ্ধ। বৈশাখী চত্বরে পার্কিংয়ের বিষয়টি আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখছি। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেডএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!