বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করেছেন প্রায় ২ লাখ ৯০ হাজার ৩৪৮ শিক্ষার্থী।
এর মধ্যে ‘ক’ ইউনিটের ১ হাজার ৮৫১ টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৭২৬ জন। এ ছাড়া ‘খ’ ইউনিটের ১ হাজার ৭৮৮ আসনের বিপরীতে ৫৮ হাজার ৫৬৫ জন, ‘গ’ ইউনিটে ৯৩০ আসনের বিপরীতে ৩০ হাজার ৭০৪ জন, ‘ঘ’ ইউনিটে ১ হাজার ৩৩৬ আসনের বিপরীতে ৭৮ হাজার ৪৫ জন এবং ‘চ’ ইউনিটে ১৩০ আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৭ হাজার ৪৪০ জন।
.png)
ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৩ জুন ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হয়ে ৪ জুন কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিট, ১০ জুন বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিট এবং ১১ জুন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ১৭ জুন চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান) বেলা ১১টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
‘গ’ ইউনিটে পাস নম্বর ও মেধাতালিকা:
ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী ৮৪৭ জন ও কোটায় ৮৩ জন প্রার্থীকে ভর্তির জন্য বিবেচনা করা হবে। তবে এমসিকিউ বা বহুনির্বাচনী অংশে ইংরেজিতে ন্যূনতম ০৫ এবং সর্বমোট ২৪ নম্বর পেতে হবে। এছাড়া লিখিত অংশের ন্যূনতম গ্রহণযোগ্য নম্বর ১১। তবে বহুনির্বাচনী এবং লিখিত উভয় অংশ মিলে ন্যূনতম ৪০ নম্বর পেলেই পাস হিসেবে গণ্য হবে।
ভর্তির উপরোক্ত শর্তসমূহ কোটাসহ সব পরীক্ষার্থীর ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য হবে। বহুনির্বাচনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে মেধাক্রমানুসারে আসন সংখ্যার ন্যূনতম ৩ গুন প্রার্থীদের লিখিত উত্তর পত্র মূল্যায়ন করা হবে।
পরীক্ষা উপলক্ষে এরইমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
তিনি বলেন, আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন। আজকের মধ্যে আসন বিন্যাস প্রকাশ করা হবে। দেশের সাতটি বিভাগে পাঠানোর জন্য প্রশ্নও সম্ভবত প্রস্তুত।
তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী।
তিনি বলেন, এটি শুধুমাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নয়, এটি জাতীয় পরীক্ষার সমপর্যায়ে। দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা এতে অংশগ্রহণ করবেন। আমরা প্রত্যেকটি ছাত্র সংগঠন, ছাত্র এবং নাগরিকদের কাছে ইতিবাচক সহযোগিতা প্রত্যাশা করি। কোনো পক্ষ থেকে অপতৎপরতা, নেতিবাচক কর্মকাণ্ড আশা করি না। কেউ বিঘ্ন ঘটালে কঠোর অবস্থানে যাবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।