তিনি বলেন, বুলবুল হত্যায় জড়িত অপর দুই আসামি কামরুল আহমদ ও মো. হাসান আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। সন্ধ্যার দিকে বিচারক আসামির জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে, বৃহস্পতিবার বিকেল ২টার দিকে সিলেট মহানগর হাকিম-২-এর বিচারক সুমন ভূঁইয়ার আদালতে হাজির করে জবানবন্দির আবেদন করেন মামলার ওই তদন্ত কর্মকর্তা।
.png)
গত বুধবার সকালে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যায় জড়িত থাকার বিষয়টি জানায় গ্রেফতারকৃত তিন আসামি আবুল হোসেন, কামরুল আহমদ ও মো. হাসান। ওইদিন বিকেলে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেন আবুল হোসেন।
সোমবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে গাজীকালুর টিলায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন শাবি শিক্ষার্থী বুলবুল। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন রাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দিয়ে সিলেটের জালালাবাদ থানায় মামলা করেন।
পরদিন ভোরে সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করে পুলিশ। ঐ তিনজনের মধ্যে পুলিশের কাছে প্রাথমিকভাবে আবুল হোসেন নামের একজন তার অপরাধ স্বীকার করে। সেই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত কামরুল আহমদ ও মো. হাসান নামে আরো দুইজনের নাম প্রকাশ করে। পরে অভিযান চালিয়ে ঐ দুইজনকে আটক করে পুলিশ এবং কামরুলের বাড়ি থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও বুলবুলের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
এদিকে বুধবার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার আজবাহার আলী শেখ শাবি শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ডে ঐ তিনজনের জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ঐ তিনজন ছিনতাইকারী হিসেবেও নিশ্চিত করেন তিনি। পরে বিকেলে আবুল হোসেনকে আদালতে তোলা হলে সে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেয়।