জানা যায়, রোববার (৬ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি প্রেজেন্টেশন থাকায় শনিবার সন্ধ্যা নাগাদ সে প্রেজেন্টেশন তৈরি করে বন্ধুদের সঙ্গে। পরে বাসায় ফিরে রাতে খেয়ে নিজ কক্ষে ঘুমাতে যায়। সকালে সাদ (জয়ের বন্ধু) বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও পাইনি। পরে জয়ের বোনের সঙ্গে কথা হলে, বোন অনেক ডাকাডাকি করেও সাড়া মেলেনি। পরে চাবির সাহায্যে কক্ষে প্রবেশ করলে দেখা যায়, ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে আছে সে।
আত্মহত্যার বিশেষ কোনো কারণ জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, মেয়ে বন্ধুর সঙ্গে ঝগড়ার জের ধরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
.png)
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক হুমায়রা হিমু বলেন, আমাদের বিভাগের প্রাণচঞ্চল একটা ছেলে ছিল জান্নাতুল জয়। তবে হঠাৎ কিছুদিন ধরে ক্লাস মিস দিচ্ছিল এবং বেশ অমনোযোগী হয়ে উঠেছিল। আজ বিষয়টি শুনে আমি দুপুরে দেখতে গিয়েছিলাম, কিন্তু সেসময় তাকে তাদের গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এজন্য পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ হয়নি।’