বুধবার (৯ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আহম্মদ নিয়ামুর রহমান পাখিগুলো অবমুক্ত করেন।
এর আগে গত সোমবার নাটোরের আহমেদপুর এলাকায় এক পাখি বিক্রেতার থেকে পাখিগুলো উদ্ধার করা হয়। পাখি উদ্ধারে সহযোগিতা করেন রাবির মার্কেটিং বিভাগের নাজমুল হোসেন ও ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের মিজানুর রহমান তাসিব। তারা দুজনই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ডিপ ইকোলজি অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ ফাউন্ডেশনের (ডেসরফ) স্বেচ্ছাসেবী।
.png)
পাখি অবমুক্তকালে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আহম্মদ নিয়ামুর রহমান বলেন, রাজশাহী বনবিভাগের অধীনে প্রায় ১৬টি জেলার কার্যক্রম চালাতে হয়। এরমধ্যে শুধু রাজশাহীতেই অফিস রয়েছে। তাই সব জেলার এলাকাগুলোতে বন বিভাগের একার পক্ষে এই অল্প জনবল দিয়ে বন্যপ্রাণী রক্ষায় কাজ করা মুশকিল। তাই আমাদের এই কার্যক্রমকে সচল রাখতে শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমের বিকল্প নেই। রাবির এই শিক্ষার্থীরা শুরু থেকেই এসব বন্যপ্রাণী কেনাবেচা রোধে আমাদের সঙ্গে কাজ করে আসছে। তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। সবারই উচিত এগিয়ে আসা যেন বন্যপ্রাণীগুলো প্রকৃতিতে স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকতে পারে।
রাজশাহী বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাটোর শহরের আহম্মেদপুর চর তেবাড়িয়া এলাকায় ক্রেতা সেজে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দুটি কালিম, ১৪টি পাতি সরালি, ১টি পাহাড়ি ময়না, ১টি টিয়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির ৩০টি পাখি উদ্ধার করা হয়। পাখি বিক্রেতা আনিছুর রহমানকে আটক করে ভ্রমমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে। পাখিগুলো রাবি ক্যাম্পাসে অবমুক্ত করা হয়েছে।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বন্যপ্রাণী পরিদর্শক মো. সরোয়ার হোসেন খান, প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এম সালেহ রেজা ও নজরুল ইসলাম, পাখি উদ্ধারকর্মী মো. নাজমুল হোসেনসহ রাবি ডেসরফর শাখার সদস্যরা।