ঢাকা,  বুধবার   ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

কবে খুলবে শেকৃবি ভেটেরিনারি হাসপাতালের দ্বার?

শেকৃবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:০৯, ১৬ মার্চ ২০২৩
কবে খুলবে শেকৃবি ভেটেরিনারি হাসপাতালের দ্বার?
ভেটেরিনারি টিচিং হসপিটাল। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) এনিম্যাল সাইন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে শেখানোর লক্ষ্যে ভেটেরিনারি টিচিং হসপিটাল স্থাপন করা হলেও বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতায় শুরু করা যাচ্ছে না এর কার্যক্রম। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদেরও দাবি যেন দ্রুত ভেটেরিনারি ক্লিনিকের কার্যক্রম শুরু করা হয়।

দেশের সব কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়েই স্বতন্ত্র ভেটেরিনারি টিচিং হসপিটাল থাকলেও শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল পিছিয়ে। ২০১৪ সালে একবার উদ্যোগ গ্রহণ ও ২০১৬ হাসপাতাল তৈরির বাজেট পাস হলেও ভেটেরিনারি টিচিং হসপিটালের বাস্তবায়ন হয়নি।

পরবর্তীতে পুনরায় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসন ভেটেরিনারি হসপিটাল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়। ২০২১ সালের ২ সেপ্টেম্বর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন হয়। এরই মধ্যে হাসপাতাল ভবনের কাজ শেষ হয়ে গেলেও জনবলের অভাব ও পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি না থাকার কারণে হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু করতে পারছে না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

ভেট-সায়েন্স অ্যান্ড এনিম্যাল হাজবেন্ডারি স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন এর সভাপতি রাহাত ইসলাম বলেন, আমরাও চাই দ্রুততম সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি ক্লিনিকের কার্যক্রম শুরু হোক। এতে আমরাও হাতে কলমে সব বিষয়গুলো শিখতে পারব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অ্যান্ড পাবলিক হেলথ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কে বি এম সাইফুল ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের জন্য ভেটেরিনারি টিচিং হসপিটালটি খুবই প্রয়োজনীয়। অবকাঠামোগত কাজ শেষ হয়ে গেছে। তবে একটি হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা সেবার জন্য ভালো যন্ত্রপাতি ও দক্ষ জনবলের প্রয়োজন। সব বিষয় নিশ্চিত করেই প্রশাসন হাসপাতালটি অনুষদের নিকট হস্তান্তর করবে। তবে দ্রুতই আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ হয়ে যাবে বলে আশা করছি।’

ভেটেরিনারি টিচিং হসপিটাল। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ভেটেরিনারি টিচিং হসপিটালের কার্যক্রম কোন পর্যায়ে আছে তা জানতে চাইলে শেকৃবি চিফ ইঞ্জিনিয়ার মো. মোমেনুল আহসান বলেন, ‘খুব শীঘ্রই আমরা ভেটেরিনারি ক্লিনিকের কাজ শেষ করে ফেলব। হসপিটালিটি আমরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের থেকে আমরা বুঝে নেওয়ার প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শেকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া বলেন, ‘আমরা হাসপাতালটি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের থেকে বুঝে নিচ্ছি। তবে এখানে যে পদগুলো নতুন তৈরি হয়েছে সেগুলো আমরা নতুন অর্গানোগ্রাম এ রেখেছি। তা এখন ইউজিসিতে আছে। আশা করছি আগামী অর্থবছরেই আমরা ভেটেরিনারি ক্লিনিকের কার্যক্রম শুরু করতে পারব। তবে উন্নত যন্ত্রপাতি ক্রয়ে সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকায় এখনই সম্পূর্ণ পরিসরে হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু করতে পারব কি না তা বলতে পারছি না। তবুও আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগুলো সম্পন্ন করে হসপিতালিটি চালু করব। এছাড়াও হসপিটাল এ প্রবেশের জন্য আরো একটি রাস্তা নির্মাণ করা হবে। আমাদের চেষ্টা থাকবে যেন ডিসেম্বর এর পূর্বেই আমরা হাসপাতালটি চালু করে ফেলতে পারি।

প্রসঙ্গত, ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতালটির নির্মাণ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ১০ বছরের দাবি। যা এ এসভিএম অনুষদের বেশ কিছু সংখ্যক কোর্সের ব্যাবহারিক ক্লাস উপযুক্ত পরিবেশ ও আরো যথাযথভাবে নেয়ার জন্য পরিবেশ সৃষ্টি করবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!