বেলা সাড়ে ৩টা থেকে শুরু হওয়া এই উৎসবে শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারীদের দেখা যাচ্ছে ছাতা হাতে। কেউ বা আসছেন সহকর্মীদের নিয়ে। কেউবা পরিবার নিয়ে আসছেন পিঠা খেতে।
দীর্ঘ পাঁচ বছর পর আয়োজিত এই পিঠা উৎসবে মোট ১২টি স্টল রয়েছে। যেখানে রয়েছে বাহারি পিঠার সমাহার। ভাপা পুলি, মাংস পুলি, সবজি পুলি, নারিকেল পুলি, দুধ পুলি, খাজা পিঠা, দুধ চিতই, ডিম বড়া, তৈল পিঠা, চুটকি পিঠা, জিলাপি পিঠা, নকশী পিঠা, সুন্দরী পাটিসাপটা, আলুর পিনহুইল পিঠাসহ আরো অনেক পিঠা।
.png)
পিঠা উৎসবে আসা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সাবরিনা মোস্তাফিজ বলেন, আজকের পিঠা উৎসবে পরিবারসহ এসেছি। সবগুলো স্টল ঘুরে দেখলাম। পিঠার আইটেমগুলোও ভালো ছিল। বেশকিছু পিঠা কিনেছি-খেয়েছি।