ঢাকা,  সোমবার   ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

[ শিক্ষা ]

টিএসসিতে যুগ পেরোনো সঞ্জীব উৎসব কাল

ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:৩৫, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৩
টিএসসিতে যুগ পেরোনো সঞ্জীব উৎসব কাল
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নাগরিক জীবনের প্রেম-বিরহ, বঞ্চনা, আক্ষেপ ও প্রতিবাদের ছাপ রেখে সংগীত ও সাংবাদিকতায় অসামান্য মুগ্ধতা ছড়িয়ে গেছেন সঞ্জীব চৌধুরী। তরুণ প্রজন্মের কাছে চির প্রাসঙ্গিক এই সংগীতশিল্পীর জন্মদিন উপলক্ষে প্রতিবছর সঞ্জীব উৎসবের আয়োজন করে আসছে তরুণ সঙ্গীত প্রেমীরা। প্রয়াত সাংবাদিক ও সংগীত ব্যক্তিত্ব সঞ্জীব চৌধুরীর জন্মদিন উপলক্ষে এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) টিএসসির সঞ্জীব চত্বরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক সংসদ (ডিইউসিএস) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ব্যান্ড সোসাইটির সহযোগিতায় ‘দ্বাদশ সঞ্জীব উৎসব’ আয়োজন করছে ‘আজব কারখানা’ ও ‘সঞ্জীব উৎসব আয়োজন পর্ষদ’।

বিকেল ৪টা হতে শুরু হওয়া এবারের দ্বাদশ সঞ্জীব উৎসবে গান গাইবেন লিমন, মুয়ীয মাহফুজ, জয় শাহরিয়ার, সন্ধি, আহমেদ হাসান সানি, সাহস মোস্তাফিজ, সুহৃদ স্বাগত, অর্ঘ্য, ঘুণপোকা, ভব শতাব্দী, রাজেশ মজুমদার, অং, রাশেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ব্যান্ড সোসাইটি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক সংসদ।

এক যুগ পেরোনো এই উৎসবের অন্যতম আয়োজক সংগীতশিল্পী জয় শাহরিয়ার বলেন, সঞ্জীবদার গান ও গানের দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে আমরা একযুগ ধরেই এই আয়োজন করে আসছি। বাংলা লোকগানকে নাগরিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ করা যেমন দাদার দর্শন ছিল, একইভাবে কথাপ্রধান গানের মাধ্যমে বার্তা তৈরি করাও ছিল তার অন্যতম দর্শন।

প্রসঙ্গত, ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার মাকালকান্দি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন সঞ্জীব চৌধুরী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্র সঞ্জীব চৌধুরী ছিলেন একাধারে সৃজনশীল লেখক, শিল্পী ও সাংবাদিক। দেশের প্রথম সারির গণমাধ্যমে কাজের পাশাপাশি চালিয়ে গেছেন সংগীত-সাহিত্য চর্চা। বাপ্পা মজুমদারকে নিয়ে তিনি গড়ে তুলেছিলেন দলছুট ব্যান্ড। সঞ্জীব চৌধুরীর গাওয়া গান এখনো সমানভাবে এ প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয়। 

তার কণ্ঠে জনপ্রিয়তা পাওয়া গান ‘আমি তোমাকেই বলে দেব’, ‘তোমার ভাঁজ খোলো আনন্দ দেখাও’, ‘আমাকে অন্ধ করে দিয়েছিল চাঁদ’, ‘স্বপ্নবাজি’, ‘গাড়ি চলে না’, ‘এই কান্না ভেজা আকাশ আমার ভালো লাগে না’, ‘বায়োস্কোপ’ গানগুলো। ২০০৭ সালের ১৯ নভেম্বর এই গুণীশিল্পী পরলোক গমন করেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!