শনিবার (১০ আগস্ট) রাত ১টায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা শেকৃবি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এস এম মাসুদুর রহমান মিঠু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান এবং পদপ্রত্যাশী জামিউল আলম পরশ, আরিফুল আরিফ, রুদ্র নাথ টুটন এর রুমে তল্লাশি চালায়। এসময় এস এম মাসুদুর রহমান মিঠুর রুম থেকে এসব উদ্ধার করেন শিক্ষার্থীরা।
উদ্ধার করা সুপারিশকৃত জীবনবৃত্তান্তের শিক্ষকরা হলেন- কৃষি অনুষদের বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষিকা শামীম আরা সুমি, বোটানি বিভাগের শিক্ষিকা শারমিন আক্তার রানু, বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের শিক্ষক মুন্সি মোহাম্মদ সুমন। এগ্রিবিজনেস ম্যানেজমেন্ট অনুষদের ডেভেলপমেন্ট এন্ড প্রোভার্টি স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক মো. হায়দার খান সুজন, ফাইন্সান অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষিকা সিরাজুম মুনিরা, অ্যাগ্রিকালচার ইকোনমিকস বিভাগের শিক্ষিকা ফাতেমা তুস সাদিয়া।
.png)
উদ্ধার করা সুপারিশকৃত জীবনবৃত্তান্তের কর্মকর্তারা হলেন- উজ্জ্বল হোসেন এবং সাবেরী আনোয়ার। পাশাপাশি চাকরি প্রত্যাশী আরো ডজনখানেক জীবনবৃত্তান্ত উদ্ধার করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও উদ্ধার করা হয় দেশীয় অস্ত্র রামদা, চাপাতি, রডসহ বিদেশি মদের বোতল এবং এক ভারতীয় নাগরিকের আধার কার্ড।
এই বিষয়ে জানতে চাওয়ার জন্য একাধিকবার কল করা হলেও এসএম মাসুদুর রহমান মিঠুর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি এস এম মাসুদুর রহমান মিঠুর সুপারিশে কোন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে সদ্য পদত্যাগ করা উপাচার্য শহীদুর রশিদ ভূইয়া বলেন, ‘না, দিইনি’।