ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

তোপের মুখে ইবির জিওগ্রাফী সভাপতির পদত্যাগ

ইবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৪:৪৫, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪
তোপের মুখে ইবির জিওগ্রাফী সভাপতির পদত্যাগ
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়ের মুখে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জিওগ্রাফী অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট  বিভাগের সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ চেয়ে  আবেদন করেছেন সহকারী অধ্যাপক ইনজামুল হক।

শনিবার রাতে তিনি আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও রেজিস্ট্রার বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন। এর আগে বিভাগের সেশনজট নিরসন ও বিভাগের নাম পরিবর্তনসহ ৯ দফা দাবিতে বিভাগে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, সেশনজটের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষকদের নিকট দাবি জানিয়ে আসছিলেন তারা। এদিকে সরকার পতনের আন্দোলনের কারণে দীর্ঘ ২ মাস ধরে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকায় সেশনজট আরো বেড়ে যায়।

Advertisement

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে শনিবার সকালে ৯ দফা দাবি নিয়ে বিভাগের শিক্ষকদের নিকট যায় শিক্ষার্থীরা। বিষয়টি নিয়ে কথা বলার এক পর্যায়ে তারা শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণ ও হেনস্তা করার অভিযোগ শিক্ষকদের এসময় দাবি না মানলে বিভাগের সভাপতির পদত্যাগ দাবি করেন তারা।

পরে বিভাগীয় অ্যাকাডেমিক কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নেয়ার ঘোষণা দিয়ে শিক্ষার্থী ও রেজিস্ট্রার বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন সভাপতি। এদিকে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর সভাপতির মেয়াদ শেষ হবে ইনজামুল হকের।

পদত্যাগপত্র সূত্রে জানা যায়, বিভাগের শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে ও ব্যক্তিগত কারণে বিভাগ পরিচালনার দায়িত্ব পালনে অপারগ হয়ে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদানের আবেদন করেছেন তিনি।

এ বিষয়ে বিভাগের সভাপতি ইনজামুল হক বলেন, 'শিক্ষার্থীরা আমার ওপর অনাস্থা জ্ঞাপন করেছে। তারা শুরু থেকেই অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে আমার কাছে ৯ দফা দাবি উপস্থাপন করে। দাবি মানতে না পারলে পদত্যাগ করতে হবে বলে তারা আমাকে জানিয়ে দেয়। এছাড়া বিভিন্ন বক্তব্যের মাধ্যমে তারা আমাকে অসম্মান করেছে। তাই আমি তাদের দাবি অনুযায়ী তাদের কাছেই পদত্যাগ করেছি।'

বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা সভাপতিকে পদত্যাগ করতে কোনো চাপ প্রয়োগ করিনি। আমরা আমাদের দাবিগুলো শুধু জানিয়েছিলাম। এছাড়া বিভাগের নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়ে আমরা কথা বলেছি। তবে কোনো অপ্রীতিকর শব্দ ব্যবহার করিনি। সভাপতি আমাদের দাবিগুলো মেনে নেয়ার ঘোষণা দেয়। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। আমরা তাকে পদত্যাগ করার বিষয়ে কথা বলিনি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!