আয়োজক শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বাজারে শাকসবজিসহ নিত্যপণ্যের যে ঊর্ধ্বগতি তা কমিয়ে আনতে কৃষকের থেকে কেনা দামে সাধারণ মানুষের কাছে পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। বাজারে দ্রব্যমূল্য নির্ধারণের যে সিন্ডিকেট আছে, তা ভাঙতে এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।
মঙ্গলবার সরেজমিন দেখা যায়, ১৪ ধরনের পণ্যের আইটেম বিক্রয় করছেন শিক্ষার্থীরা। করলা প্রতি কেজি ৫০ টাকা, শসা ৪০, ফুলকপি ৭৫, লাউ ৪০, কেজি ৩৫ টাকা, পটল কেজি ৫০ টাকা, মূলা প্রতি কেজি ৩০ টাকা, লাফা কেজি ৫৫ টাকা, কুমড়া কেজি ৫৫ টাকা, লেবুর হালি ১৫ টাকা, জলপাই কেজি ৩৫ টাকা, শাকের আঁটি ১৫ টাকা, কাঁচা মরিচ কেজি ১২০ টাকা, শিম কেজি ১২০ টাকা, ধনিয়া পাতা ১১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
.png)
ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্যের ক্রেতারা জানান, শিক্ষার্থীরা যে দামে বিক্রি করছেন তা বাজার থেকে কেজিতে অন্তত ১০ থেকে ২০ টাকা কম। বাজার থেকে কম দামে পণ্য কিনতে পারায় অনেকেই ক্রয় করছেন এ দোকান থেকে।
ন্যায্যমূল্যে পণ্য কিনতে রানা হোসেন সুমন নামে একজন ক্রেতা জানান, শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগ আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তিদায়ক৷ আমি কিছু সবজি নিয়েছে যা অন্য দোকানগুলো থেকে স্বল্পমূল্যে পেয়েছি। এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই৷
উদ্যোক্তা মমিনুল ইসলাম রানা জানান, সাধারণ জনগণের ভোগান্তি লাগবে তারা যেন ন্যায্যমূল্যে সবজি কিনে খেতে পারেন, সেজন্য আমাদের এই আয়োজন। আমাদের কাছে ৫ টাকার সবজি চাইলে আমরা সেগুলো দেওয়ার চেষ্টা করছি। অনেক সাড়া পাচ্ছি ক্রেতাদের কাছ থেকে। গতকাল দুপুরের মধ্যে মালামাল শেষ হয়ে গিয়েছিল। আশা করছি, সামনের দিনেও আমাদের কার্যক্রম চলবে।