বুধবার (২৭ নভেম্বর) সকালে তার যোগদান ঠেকাতে ক্যাম্পাসের গ্রাউন্ড ফ্লোরে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নবনিযুক্ত এ ট্রেজারার যোগদান করতে গেলে তাতে বাধা দেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) থাকাকালীন সীমাহীন দুর্নীতি করেছেন এই মোস্তফা কামাল। এমন দুর্নীতিগ্রস্ত একজন ব্যক্তিকে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হিসেবে দেখতে চাই না। কোনোভাবেই এ ট্রেজারারের যোগদান মেনে নেবেন না শিক্ষার্থীরা।
.png)
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সিরাজিস সাদিক বলেন, "খুবই দুঃখজনক যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পতিত স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্টদের দোসরদের পক্ষের শক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। উদ্বেগজনকভাবে এটা লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, বর্তমান প্রশাসন তাকে গভীর রাতে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদান সম্বলিত নির্দেশনা জারি করে তাকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে। সাধারণ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এ বিষয়ে অবহিত। এ বিষয়টি নিন্দনীয় বলে মনে করি বলে আমরা শিক্ষকরা স্ব-শরীরে আন্দোলনে শরিক হয়েছি।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে নবনিযুক্ত ট্রেজারার যোগদান না করেই ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন। আজকে সকাল ৯টা থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সবাই তিনি যেন যোগদান করতে না পারেন সেজন্য অবস্থান নিয়েছেন।
সার্বিক বিষয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর কাছে জানতে চাইলে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি কীভাবে স্বাভাবিক রাখা যায় সেই চেষ্টা করছি এবং সার্বিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় কাজের মাধ্যমে সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শুচিতা শরমিনকে এই ঘটনায় বক্তব্যের জন্য মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।