বুধবার (৮ জানুয়ারি) ১২টা পর্যন্ত শহিদ মিনার চত্বরে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক রইছ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে জবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মোশারফ হোসেন, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. ইব্রাহিম, রেজিস্ট্রার শাহাদাত হোসেন, কম্পিউটার বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ উদ্দিন, অধ্যাপক নাসির আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
.png)
উপস্থিত শিক্ষক নেতৃবৃন্দ বলেন একজন শিক্ষকের ওপর হামলা মানে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর হামলা। এমন ঘটনা যেন না ঘটে সে বিষয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। এমন কোনো ঘটনা যেন আর কখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের কারো সঙ্গে না হয়।
শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন বলেন, ‘মত এবং পথের পার্থক্য ব্যতিরেকে সবার নিরাপত্তা দিতে শিক্ষক সমিতি সবার নিরাপত্তা চায়। আপোষহীন আমরা শক্ত অবস্থানে থাকব। আমরা গত ৫ তারিখে দায়িত্ব নিয়েছি এবং এর পরবর্তী বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটলে তার বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার ভূমিকা রাখব। যৌক্তিক আল্টিমেটাম দিয়ে আমরা সুরাহার পথ বেছে নিব। শিক্ষক সমিতি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা এবং কর্মচারী সবার পক্ষেই কথা বলবে এবং দায়িত্বশীল পর্যায়ে অবস্থান করবে।
দাবিসমূহ:
ক। অনতিবিলম্বে তদন্ত কমিটি করে হামলার সঙ্গে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ জড়িত থাকলে তাকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
খ। হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
উল্লেখ্য, গত ৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় পুরান ঢাকার তাঁতিবাজার মোড়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. তাজাম্মুল হকের গাড়িতে হামলা করেছে দুর্বৃত্তরা। সময় প্রক্টর ও তার গাড়ির ড্রাইভার আহত হন। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে তৎক্ষণাৎ তিনজনকে আটক করা।