সুইডেন থেকে সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগের কথা জানিয়েছেন গায়কের দ্বিতীয় স্ত্রী মডেল কারিন নাজ। তার সেই অভিযোগের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন ইলিয়াসের বর্তমান স্ত্রী মডেল সুবাহ।
রোববার দুপুরে ফেসবুকে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন ইলিয়াসের স্ত্রী মডেল সুবাহ। তার স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-
.png)
ডিভোর্স লেটার দেখেই জড়িয়ে ছিলাম আমি। তাও বৈধভাবে ইভেন কারিন ও তার মা সুকন্যা দিপাকেও আমি নিজেই সব খুলে বলেছি যে আমরা দুজন বিয়ে করে ফেলবো। ইলিয়াস আমাকে বিয়ে করতে চায়, আমিও চাই। তাও ২ মাস আগে।
এখন যদি ওই মহিলারা অস্বীকার করেন যে কিছুই জানেন না! মানুষকে উল্টা-পাল্টা মিথ্যা বলে তাহলে আমার কাছে প্রমাণ আছে যে ইনফর্ম করেছিলাম তাদেরকে অনেক আগেই।
আর যদি কোনো পুরুষের ক্ষমতা থাকে বউ পালার সে একের অধিক বিয়ে করতে পারে। এমন তো না যে ডিভোর্স না দিয়ে বাচ্চা রেখে বিয়ে করেছে ইলিয়াস! আর আমি তো জানি ইলিয়াসের সঙ্গে কারিনই লিভ টুগেদার করেছিল, কারণ হলো ওই বিয়ের কোনো লিগাল কাবিননামাই নেই! হাহাহা!
ওই মেয়ে থাকে বিদেশে। তিন বছর ধরে বাংলাদেশে আসে না। শুধু মোবাইলে মোবাইলে কথা বললেই কি সংসার হয় নাকি? কারিন এবং তার মায়ের অনেক অবৈধ সম্পর্ক আছে বিদেশে এবং বাংলাদেশে, এটাও আমি জানি।
সে মেন্টালি ভাবে পেরা দিতো অলওয়েজ। এটা ইলিয়াসের সার্কেলের সবাই জানে যে ওরা ম্যারেড লাইফে কখনো হ্যাপি ছিল না। আর ওই মেয়ে তিন বছর ধরে বাংলাদেশে আসে না ফিজিক্যাল রিলেশনও ছিল না। আমি তখন ইলিয়াসের ভালো বন্ধু ছিলাম পরে আমাদের দুজনের ভালো লাগা থেকেই বিয়ের ডিসিশন নিয়েছি আমরা ফ্যামিলিগতভাবে। সবাইকে জানিয়ে যা করার করেছি। আমরা তো পাপ কিছু করিনি।
আমাকে আর ইলিয়াসকে যদি আপনাদের ভালো না লাগে প্লিজ ইগনোর করতে পারেন। আমাদের দুজনকে ফলো করার দরকার নাই। লাইক দেওয়ার দরকার নাই। আমরা দুজন দুজনের সাথে ভালো আছি সংসার নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ!
আমরা চেয়েছিলাম যখন ফাইনালি বড় করে অনুষ্ঠান করব তখন মিডিয়া পাবলিককে বলব। কিন্তু এতো অশান্তির জন্য তা করা সম্ভব হলো না। আমাদের জন্য দোয়া করবেন। বিনা কারণে হারেসমেন্ট করলে মানহানি মামলা করতে বাধ্য হব। আইন সবার জন্যই সমান। আমার কিছু বলার নেই আর।
জানা গেছে, কারিন নাজ সুইডেনের স্টোকহোমে থাকেন। বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি মিউজিক ভিডিওতে মডেল হয়েছেন তিনি। কারিনকে বিয়ের আগে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে বিয়ে করেছিলেন ইলিয়াস। সেই সংসার বেশিদিন দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।