এক যুগেরও বেশি সময় পর নাটকের কোন চরিত্র যে বাস্তব জীবনে এতটা প্রভাব ফেলতে পারে সেটা ব্যাচেলর পয়েন্টের ‘কাবিলা’ চরিত্রটিতে অভিনয় করে আবারো বুঝিয়ে দিয়েছেন পলাশ। নাটকে কাবিলা রোকেয়ার সঙ্গে প্রেম করলেও বাস্তব জীবনের চিত্রটা ভিন্ন। অবশেষে তিনি থিত হলেন নাফিসার সঙ্গে।
শুক্রবার পলাশের বিয়ের খবরটি নিশ্চিত করেন ব্যাচেলর পয়েন্টের পরিচালক কাজল আরেফিন অমি। তিনি নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে পলাশ এবং নাফিসার বিয়ের খবরটি জানান। পাশাপাশি তাদের নতুন জীবনের জন্য শুভেচ্ছাও জানান।
.png)
ডেইলি বাংলাদেশ-এর পাঠকদের জন্য পরিচালক কাজল আরেফিন অমির স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
আপনাদের আমাদের সবার প্রিয় জিয়াউল হক পলাশ। ২০১৬ সালের মার্চ,এপ্রিলের দিকে পলাশ আমার সাথে সহকারী হিসেবে কাজ শুরু করে। অত্যন্ত পরিশ্রমী ও বাধ্যগত ছেলে পলাশ। আমার বিভিন্ন কাজে জোর করে পলাশকে দিয়ে এক সিকোয়েন্স/ দুই সিকোয়েন্স করে এক্টিং করাতাম, ও কখনোই এক্টিং করতে চাইতো না। বলতো, এক্টিং করলে, আমি ডিরেকশন এর কাজে মনোযোগী হতে পারি না। কিন্তু আমার কেন যেন সবসময় মনে হতো, ওকে দিয়ে আলাদা কিছু করানো সম্ভব। সেজন্য আমি আমার হাল ছাড়িনি, একটার পর একটা চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছি।
এই চেষ্টা, পলাশের পরিশ্রম এবং আপনাদের ভালবাসার ফল আজকের পলাশ ওরফে কাবিলা। দেখতে দেখতে ও কত বড় হয়ে গেল, নিজে ডিরেকশন শুরু করলো, অভিনেতা হিসেবে সারা দেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে গেল। ওকে নিয়ে রাস্তায় বের হলে মানুষ যখন হুমড়ি খেয়ে পড়ে, বলে বুঝাতে পারবো না আমার কতটুকু ভাল লাগে।
আমি চাই ও জীবনে আরো অনেক বড় হোক। আমার চোখে ওর জীবনটা মাত্র শুরু, এখনো অনেক দূর যেতে হবে। আমি পলাশকে শুধু আমাদের দেশে নয় সারা বিশ্বে জনপ্রিয় অভিনেতা হিসেবে দেখতে চাই।
আর এই ছেলেটা তার নতুন জীবনে পা রেখেছে ওর জন্য অনেক দোয়া ও ভালোবাসা। সম্প্রতি পলাশ ও আমাদের লক্ষী নাফিসা তাদের পরিবার ও আমাদের সবার সম্মতিতে ঘরোয়া পরিবেশে বিয়ে সম্পন্ন করে।
সবাই পলাশ ও নাফিসার নতুন জীবনের জন্য দোয়া করবেন।