সিনেমাটি নিয়ে ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন মধুমিতা। যেখানে কথা বলেছেন নিজের ব্যক্তিগতগ জীবন ও প্রথম প্রেম নিয়ে। পর্দায় বহুবার প্রেমে পড়লেও বাস্তব জীবনে মধুমিতা প্রেমে পড়েছিলেন যখন তার বয়স মাত্র ১৬ বছর।
এ অভিনেত্রী বলেন, ১৬ বছর বয়সে প্রথম প্রেম করেছিলাম। একটা কাজের সূত্রেই আলাপ হয়েছিল তার সঙ্গে। এরপর সিনেমা দেখতে যাওয়ার প্ল্যানিং করি দুজনে। কিন্তু, মা তো কিছুতেই যেতে দেবে না। পাড়ার মুদির দোকানেই যেতে দেয় না...সেখানে আবার সিনেমা! তবে সেদিন দোকানে জিনিস কিনতে যাচ্ছি বলেই সিনেমা দেখতে চলে গিয়েছিলাম তার সঙ্গে। তিন ঘণ্টা পর যখন বাড়িতে ফিরলাম তখন তো শুধুই বকাবকি।
.png)
ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মধুমিতা জানান কীভাবে তার মা তাকে সাবলম্বী হতে সাহায্য করেছিলেন। অভিনেত্রীর কথায়, আমার জীবনের প্রথম উপার্জন দুই হাজার টাকা। চেকটা পেয়ে পুরোটাই মায়ের হাতে তুলে দিয়েছিলাম। মা সেই টাকাটা নিজের কাজে খরচ করেনি। উল্টো আমার স্কুলের বেতন দিয়ে বলেছিল, তোকে সাবলম্বী করে দিলাম। তোর টাকাতেই তোর স্কুলের ফি পরিশোধ করলাম।
জীবনে নেয়া ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে অকপট মধুমিতা। তিনি বলেন, একটা সময় মনে হতো মা সব কিছুতেই বড্ড বেশি নাক গলাচ্ছে। আমার জীবনের সিদ্ধান্ত যেটা আমি নিচ্ছি সেটাই ঠিক। কিন্তু, পরে মনে হয়েছে মা-বাবাই সন্তানকে সঠিক পথটা দেখায়। তারা কখনোই ভুল পথে চালিত হতে দেয় না।
এই অভিনেত্রী আরো বলেন, জীবনে যদি ১৫ বছর পিছিয়ে যেতাম তাহলে কোনো অধ্যায়ই আমি ডিলিট করতাম না। কারণ সেগুলো একজোট করেই আজকের মধুমিতা তৈরি হয়েছে। অতীতই সবচেয়ে বড় শিক্ষক। আমিও সেখান থেকে জীবনের অনেক শিক্ষা নিয়েছি।