বিবাহিত অভিনেতার ফ্যান ফলোয়িং কমে না যায় সেজন্য বিয়ের কথা অনেকদিন গোপন করেছিলেন গোবিন্দও। বেশ কয়েকবছর পর জানা যায় গোবিন্দর স্ত্রীর কথা। ওই সময়ে গোবিন্দর আয় খুব একটা ভালো ছিল না তাই বিয়েতে রাজি ছিলেন না সুনীতার বাবা। এমনকি মেয়ের জামাইকে আশীর্বাদ করতেও আসেননি তিনি।
এবার চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে নায়কের ব্যক্তিগত জীবন; প্রশ্ন উঠেছে এই তারকা দম্পতির সম্পর্কের ফাটল নিয়ে। সুনীতার এক সাক্ষাৎকার ঘিরেই শুরু হয়েছে এমন জল্পনা!
.png)

সম্প্রতি সুনীতার একটি সাক্ষাত্কার ঘিরে তৈরি হয়েছে জল্পনা। যা নিয়ে গোবিন্দর ব্যক্তিগত জীবন এখন আলোচনায়। সেই সাক্ষাৎকারে সুনীতা বলেছিলেন, ‘আমাদের দুটি বাড়ি আছে, আমাদের অ্যাপার্টমেন্টের সামনে একটি বাংলো রয়েছে। আমি এবং আমার সন্তানরা অ্যাপার্টমেন্টে থাকি, গোবিন্দ বাংলোয় থাকেন। সে যখন তার কাজের জন্য দেরি করে, তখন আমাদের দুজনের মধ্যে যোগাযোগ একটু কম হয়।’
সুনীতা বলেন, ‘গোবিন্দ সব সময় কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকে এবং তার রোম্যান্সের জন্য কোন সময় নেই। আমি তাকে বলেছি, ‘আগামী জীবনে যেন আমার স্বামী না হয়।’ সে কখনো ছুটিতে যায় না, আমি এমন একজন যে আমার স্বামীর সাথে রাস্তায় পানি-পুরি খেতে চাই, কিন্তু সে কখনোই তা করতে চায় না।’
সুনীতা আরো বলেন, ‘আমরা ৩৭ বছর ধরে একসঙ্গে আছি, তবে এখন জানি না সে কীভাবে বদলে গেছে। তার বয়স ৬০ বছর পেরিয়ে গেছে, আর এখন সে বেশি কিছু করে না। আমি কিছুটা ভয় পেতে শুরু করেছি, কারণ তার বয়স বেড়ে গেছে এবং সে আগের মত কাজের মধ্যে ডুবে থাকে না। আগে মনে হতো, আমি নিরাপদ, কিন্তু এখন আমি জানি না। হয়তো তার বয়সের কারণে সে কিছু ভুল পথে চলে যাচ্ছে, কিন্তু আমি জানি না।” তবে বিচ্ছেদের কথা সরাসরি কিছু বলেননি সুনীতা।’
১৯৯০-এর দশক থেকে আজ পর্যন্ত তিনি একইরকম জনপ্রিয়। তার কমেডি, রোমান্স এবং নাচের অসাধারণ দক্ষতায় বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা হিসেবে পরিচিত গোবিন্দ।