আসলে এই পেইন্টগুলো করা মানে সেই গাছগুলো বন বিভাগের আওতায়। তাদের চোখে পড়েছে এগুলো। এমনকি এই গাছগুলোর পরিচর্চাও তারাই করবেন।
সাধারণত হোয়াইট ওয়াশ বা চুনকাম হয়ে থাকে। গাছগুলোতে রং করলে পরে গাছের জীবনকাল বৃদ্ধি পায় এবং গাছের সুরক্ষাও নিশ্চিত হয়। কারণ এই গাছগুলোতে রং হয়ে যাওয়ার পর ওগুলোকে আর কাটা যায় না। গাছের গায়ে রং করে দেয়া ওই রেখাগুলোর অর্থ হল, ওই গাছগুলো মূলত বন বিভাগের নজরে রয়েছে। আর এতে করে গাছের সুরক্ষা বাড়ে।
.png)
আরো পড়ুন: বিনা পারিশ্রমিকে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখে এই অশুভ পাখি
যদিও অনেক দেশে গাছের গায়ে শুধুমাত্র সাদা রংই যে ব্যবহার করা হয়, তেমনটা নয়। অনেক জায়গাতে লাল এবং নীল রংও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আবার রাতের বেলা হাইওয়ের পাশের গাছগুলোকে সহজেই দৃশ্যমান করে তুলতে সাদা রং করা হয়।
অনেক সময় আবার গাছের নীচের অংশে সাদা রঙ প্রয়োগ করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো এটি গাছের নতুন ছালটি উঠে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। ওই একই কারণবসত এই জাতীয় গাছগুলো থেকে পোকামাকড়ও দূরে থাকে। এছাড়াও এমনভাবে রং করে রাখলে অন্য কোনো সংক্রমণ ও বিভিন্ন রকমের কীট পতঙ্গের হাত থেকেও গাছ রক্ষা পায়।
আরো পড়ুন: ৫০০০ বছর ধরে মৃত মা সন্তানকে জড়িয়ে রেখেছেন পরম আদরে
এছাড়াও গাছে পেইন্টিং করার কারণে গাছের ফাটলগুলোও অল্প বিস্তর ভরাট হয়। যেটি একপ্রকার গাছেদের বেঁচে থাকার জন্য সময়টা একটু বাড়িয়ে দেয়। তাই শুধু সৌন্দর্য বর্ধনই নয় আরো অনেক কারণেই গাছের গোড়া সাদা রঙে ঢেকে দেয়া হয়।