ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ ফিচার ]

নিভৃতে উপকার করে বন বিড়াল

আবু আজাদ
প্রকাশিত: ১৪:৫৬, ৬ এপ্রিল ২০২২
নিভৃতে উপকার করে বন বিড়াল
চালাক প্রাণী বন বিড়াল। ছবি : সংগৃহীত

বন বিড়াল (Jungle cat) জংলি বিড়াল, খাগড়া বিড়াল বা জলাভূমির বিড়াল হিসেবে পরিচিত। মূলত গাছের কোটর, গুহা, জলাশয়ের ধারের ঝোপঝাড়, পুরনো ভাঙ্গা দালান-কোঠা ও ঘন বনে এরা বসবাস করে। 

বন বিড়াল খুবই চালাক প্রকৃতির প্রাণী। মাটিতে এরা যেমন দ্রুত দৌড়াতে পারে তেমনই গাছে ওঠা বা সাঁতারেও খুব দক্ষ। নিশাচর এই প্রাণীটি খাবারের সন্ধানে এক রাতে ৩ থেকে ৬ কিলোমিটার পর্যন্ত পথ পাড়ি দেয়। 

বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী আইনে বন বিড়াল সংরক্ষিত। ছবি : সংগৃহীত

Advertisement

এরা পাখি, খরগোশ, গিরগিটি, মাছ, ব্যাঙ, সাপ ইত্যাদি খেয়ে থাকে। তবে ইঁদুর ও ধানক্ষেতের পোকামাকড় খেয়ে কৃষকের উপকার করে। ওরা যেন নিভৃতে উপকারের এক বন্ধু। যদিও খাবারের অভাবে কখনও কখনও হাঁস-মুরগির ঘরে হানা দেয়। তবে উপকারের তুলনায় সেটি খুবই নগণ্য।

ব্যাপক নিধন ও বাসস্থান ধ্বংসের কারণে বন বিড়াল বিপন্ন। আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) বনবিড়ালকে ‘ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত’ বলে তালিকাভুক্ত করেছে। 

ওরা যেন নিভৃতে উপকারের এক বন্ধু। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের ১ নম্বর তফসিল অনুযায়ী এই বন্যপ্রাণীটি সংরক্ষিত। তাই এটি হত্যা, শিকার বা এর কোনো ক্ষতি করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

শুধু আইন প্রয়োগ নয়, সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রকৃতিতে বেঁচে থাকুক বন বিড়ালসহ সমগ্র প্রাণীকুল। ভারসাম্য বজায় থাক প্রাণ-প্রকৃতির। এমনটাই কামনা করছেন প্রকৃতি বিশেষজ্ঞরা। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!