বিয়ের আংটিকে এখন অনেকেই ‘এনগেজমেন্ট রিং’ বলেন। এটি সাধারণত বাম হাতের অনামিকায় পরাই নিয়ম। কারণ হৃদয় থাকে বাঁ দিকে। আর এ আংটির সঙ্গেই তো থাকে সরাসরি হৃদয়ের সংযোগ।
অনামিকায় বিয়ের আংটি থাকা সুখী দাম্পত্যকেও অনেক সময় নির্দেশ করে। এ কারণে কারো আঙুলে হঠাৎ বিয়ের আংটি দেখা না গেলে বিচ্ছেদের গুঞ্জন ওঠে লোকসমাজে।
.png)
বিয়ের আংটি নিয়ে একটি দিবসও আছে পৃথিবীতে। আজ সেই দিন। ফেব্রুয়ারির ৩ তারিখ, বিয়ের আংটি দিবস। কবে কীভাবে এই দিবসের চল হয়েছিল, স্পষ্ট করে জানা যায়নি। তবে তা না জানলেও খুব একটা ক্ষতি নেই।
এমন একটি দিবস যেহেতু আছে, সেহেতু আয়োজন করে পালন করাই যায় দিবসটি। অনেক দম্পতি পালন করেনও। আবার যারা এখনো বিয়ে করেননি, তাদের অনেকেই আজকের দিনটিকে বেছে নেন আংটি বদলের দিন হিসেবে। দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার এর চেয়ে ভালো বুদ্ধি আর কী হতে পারে?
প্রাচীন গ্রিক ও রোমানরা বিশ্বাস করতেন, বাঁ হাতের অনামিকা সরাসরি হৃৎপিণ্ডের সঙ্গে সংযুক্ত। যার কারণে তারা এর নাম দিয়েছিলেন ‘ভেনাআমোরিস’ বা ‘ভালোবাসার ধমনি’।
অন্যদিকে চীনারা বিশ্বাস করেন, হাতের পাঁচ আঙুল আমাদের জীবনের বিভিন্ন অনুসঙ্গ প্রকাশ করে। যেমন বুড়ো আঙুল প্রতিনিধিত্ব করে আমাদের বাবা-মাকে। তর্জনী সন্তানদের। মধ্যমা আমাদের নিজেকে। অনামিকায় আছে আমাদের জীবনসঙ্গী। আর কনিষ্ঠায় নাতি-নাতনিরা। অনামিকায় যেহেতু জীবনসঙ্গী, তাই বিয়ের আংটি পরানো হয় অনামিকায়।