ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ ফিচার ]

পৃথিবীর শেষ শহর ‘উসুয়াইয়া’

ফিচার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪:৫৫, ১০ মার্চ ২০২৪
পৃথিবীর শেষ শহর ‘উসুয়াইয়া’
আর্জেন্টিনার উসুয়াইয়া শহর- ছবি: সংগৃহীত

কমলার মতো গোল এবং দুইপাশে খানিকটা চ্যাপ্টা এই পৃথিবীর শেষ অংশ খুঁজে পেয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সেখানে আছে একটি শহর, যেটিকে বলা হয় পৃথিবীর শেষ শহর। কোথায় সেই শহর, পৃথিবীর শেষ সীমাই বা কোথায়?

ইংল্যান্ডের ওয়েস্ট সাসেক্স, রাশিয়ার সাইবেরীয় অঞ্চলের ইয়ামান পেনিনসুলা অথবা চিলির কেপহর্ন নয়, দক্ষিণ আমেরিকার একেবারে দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত আর্জেন্টিনার উসুয়াইয়া শহরকেই বলা হয় পৃথিবীর শেষ শহর। সেই দেশের ভাষায় ‘ফিন ডিইআই মুন্ডো’ অর্থাৎ ‘পৃথিবীর শেষ প্রান্ত’।

আন্দিজ পাহাড়ের মাঝে এই অঞ্চলটির নাম ‘টিয়েরা দেল ফুয়েগো’ বা আগুনের শহর। উত্তরে ম্যাজেনাল প্রণালী ও দক্ষিণে বীগল চ্যানেল দুই মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। বিখ্যাত পর্তুগিজ আবিষ্কারক ম্যাজেনাল-ই ‘টিয়েরা দেল ফুয়েগো’ নাম দেন। এখন এ দেশে শুধু ইউরোপীয়দের বাস।

Advertisement

পৃথিবীর শেষ প্রান্তে অবস্থিত আর্জেন্টিনার উসুয়াইয়া শহর

পৃথিবীর শেষ প্রান্তে যেতে আগে প্রায় ২ বছর সময় লাগত। এখন মাত্র ২ দিনেই আমেরিকা থেকে উসুয়াইয়া পৌঁছনো যায়। আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েন্স আইরেস থেকে পম্পাসো পাতাগোনিয়া পেরিয়ে ঘণ্টা পাঁচেকের ফ্লাইট।

উসুয়াইয়া শহরের চারদিকে দুর্গম পাহাড়, উত্তাল সমুদ্র। তাই ১৮৭৩ সাল থেকেই সেখানে রাজনৈতিক বন্দিদের নির্বাসন দিতে শুরু করে আর্জেন্টিনা সরকার। তবে নানা বিতর্কের পর ১৯৪৭ সালে সেই প্রথা বন্ধ হয়। পুরোনো জেল এখন ঐতিহাসিক মিউজিয়াম।

উসুয়াইয়া শহরের দুই পাশে পাহড়ের সারি। ইউরোপীয়রা আসার আগে এখানে বাস করত ইয়াগালেস উপজাতিরা। উসুয়াইয়াতে সর্বপ্রথম গড়ে ওঠা বিল্ডিং সেলোসিয়ান চার্চটি এখনো আছে।

ছোট্ট উসুয়াইয়া শহরের বর্তমান জনসংখ্যা ৫৭ হাজার। আয়তন ২৩ বর্গ কিলোমিটার। গ্রীষ্মেও তাপমাত্রা কখনো কখনো ১২ বা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি নয়। দক্ষিণ মেরু যাওয়ার সব জাহাজও এই উসুয়াইয়া শহর থেকেই ছাড়ে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!