অডিয়াস মহাকাশযানটি ‘নিষ্ক্রিয়’ হওয়ার আগে অবশ্য পৃথিবীর একটি ব্যতিক্রম ছবি। যা ইনটিউটিভ মেশিনস নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শেয়ার করেছে। যেখানে দেখা যায়, চাঁদের এবড়োথেবড়ো মাটি। একটু গভীরভাবে দেখলে একটু দূরে দেখা যাবে অর্ধচন্দ্রাকৃতির পৃথিবীর একটি ছায়া, এখানেই মানুষের বাস।
এক্সে (সাবেক টুইটার) শেয়ার করা ছবিতে ইনটিউটিভ মেশিনস বলছে, ‘নিস্তেজ হওয়ার আগে দারুণ এক কাজ করেছে অডিসিয়াস। গত ২২ ফেব্রুয়ারি এই ছবি তোলা হয়। আমাদের হাতে এল আজ। তাতে পৃথিবীকে দেখা যাচ্ছে। শুভরাত্রি ওডি। আশা করছি আবার তোমার কথা শুনতে পাবো।’
.png)
Before its power was depleted, Odysseus completed a fitting farewell transmission. Received today, this image from February 22nd showcases the crescent Earth in the backdrop, a subtle reminder of humanity’s presence in the universe.
— Intuitive Machines (@Int_Machines) February 29, 2024
Goodnight, Odie. We hope to hear from you… pic.twitter.com/RwOWsH1TSz
অ্যাপোলো চন্দ্রাভিযানের ৫০ বছর পর এই প্রথম চাঁদে কোনো মহাকাশযান পাঠায় আমেরিকা। গত মাসের শেষদিকে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে অবতরণ করে এটি। পরে মহাকাশযানটির সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে সক্ষম হয় নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বে প্রথম কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মহাকাশযান চাঁদে পৌঁছায়।
জানা গেছে, অভিযানটি নাসার একটি প্রকল্পের অংশ। এর আওতায় চাঁদে সরঞ্জাম নিতে বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে অর্থ দিচ্ছে তারা। অডিসিয়াস অভিযান পরিচালনায় ইনটিউটিভ মেশিনসকে ১১ কোটি ৮০ লাখ ডলার দিয়েছে নাসা।
যদিও মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এই অভিযানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়। চাঁদে মহাকাশযানটি পাঠিয়েছে ইলন মাস্কের সংস্থা স্পেসএক্স। নোভা-সি ল্যান্ডারে নাসার ছয়টি ব্যক্তিগত পেলোড রয়েছে। এসব পেলোড চাঁদের আবহাওয়া সম্পর্কে অনুসন্ধান চালাবে।