একটুখানি অসাবধানতা থেকেই ছোট কিংবা বড় যে কারোই হতে পারে এই অসুখ। তাই থাকতে হবে একটু বেশি সতর্ক। চলুন জেনে নেয়া যাক তেমনই কিছু সতর্কতা যা আমাদের ডায়রিয়া প্রতিরোধে সহায়তা করবে-
> এই সময় অবশ্যই বিশুদ্ধ পানি পান করুন। অন্য কোনো উপায় না থাকলে পানি ফুটিয়ে খাওয়া অভ্যাস করুন। মনে রাখবেন ডায়রিয়া কিন্তু পানিবাহিত রোগ।
.png)
> সবজি গরম পানিতে বেশ খানিকক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন। তারপর ভালো করে ধুয়ে তবেই রান্না করুন।
> আধা সিদ্ধ মাংস বা সি ফুড একেবারেই খাবেন না।
> খাওয়ার আগে এবং শৌচকর্মের পরে হাত ভালো করে ধুয়ে নিন সাবান দিয়ে। এছাড়াও শিশুর ডাইপার পাল্টানো কিংবা পোষা প্রাণীর সঙ্গে খেলাধুলোর পরেও হাত ধুয়ে নিন। অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে ভালো করে সাবান দিয়ে হাত কচলে কচলে পরিষ্কার করুন।
> রাস্তার ধারের বা ফুটপাথের দোকান থেকে খাওয়াটা আপাতত এড়িয়ে চলুন।
> চেষ্টা করুন গরম অবস্থাতেই খাবার খেতে। যদি রান্না আগে হয়ে গিয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই গরম করে খান।
> শিশুদের যেহেতু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাই তাদের ক্ষেত্রে ডায়েরিয়ার সংক্রমণের আশঙ্কা বেশি থাকে। তাদের ক্ষেত্রে বাড়তি খেয়াল রাখুন। তারা যেন ধুলোবালি না ঘাঁটে সেদিকে খেয়াল রাখুন। যদি ঘাঁটেও, তাহলে তাদের হাত ভালো করে ধুয়ে দিন।