সুস্বাদু এই পেস্তার রয়েছে অনেক স্বাস্থ্যগুণও। ক্যান্সার রোধ থেকে ডায়াবেটিস হ্রাস, এমন আরো বহু গুণে ভরপুর পেস্তা। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডায়েটেও অনেকেই পেস্তা বাদাম রাখেন। চলুন এবার পেস্তা বাদামের অন্যান্য গুণ সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক-
অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের সম্ভার
.png)
অন্যান্য বাদামের তুলনায় পেস্তায় অনেক বেশি অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে। যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি, এতে রয়েছে লুটেন ও জিয়াজ্যন্থিন নামক অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, যা চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে।
আরো পড়ুন: চিনি বেশি খেলে কি ক্যান্সার হতে পারে?
ক্যালোরিতে কম, প্রোটিনে বেশি
এক আউন্স বা ২৮ গ্রাম পেস্তায় থাকে মাত্র ১৫৯ ক্যালোরি। অন্যান্য বাদামের তুলনায় যা অনেকটাই কম। কিন্তু পেস্তার মোট ওজনের কুড়ি শতাংশ থাকে প্রোটিন। আমন্ড ছাড়া আর কোনো বাদামে এত পরিমাণ প্রোটিন মেলে না। অতি প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিডের অনুপাত অন্য যেকোনো বাদামের তুলনায় বেশি থাকে পেস্তায়। এই অ্যামাইনো অ্যাসিডই প্রোটিনের গঠনগত একক।
ফাইবার সমৃদ্ধ
ফাইবার দীর্ঘ সময় খাদ্যনালীর মধ্যে অপাচ্য অবস্থায় থাকতে পারে এবং কিছু উপকারী ব্যাক্টেরিয়া এই ফাইবারের উপর কাজ করে। এর ফলে ফাইবার ভেঙে ক্ষুদ্র শৃঙ্খলযুক্ত ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরি হয়। এর মধ্যে বিউটাইরেট জাতীয় ফ্যাটি অ্যাসিডে সবচেয়ে উপকারী। কাজেই ফাইবার হজমশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে।
কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে
কারো কারো মতে পেস্তাবাদাম রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এর ফলে দূরে থাকে হৃদরোগ। শুধু তা-ই নয়, এটি রক্তনালীর ভেতরের স্তর বা এন্ডোথেলিয়াম ভালো রাখতেও সাহায্য করে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে
অন্যান্য বাদামের তুলনায় কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বেশি থাকলেও পেস্তা বাদামের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খুবই কম। অর্থাৎ, এই বাদাম খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ খুব বেশি বৃদ্ধি পায় না। উপরন্তু পেস্তায় উপস্থিত স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, ক্যারোটিনয়েড ও ফেনল জাতীয় যৌগগুলো রক্তের শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে।