কাঠমালতী ফুলের ভেষজগুণ
গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ কাঠমালতী Apacynaceae পরিবারের Tabernaemontana- গণের সদস্য। ফুলের জন্য গাছটি বেশি পরিচিত। কাঠমালতীকে কাঠমল্লিকা, কাঠকরবী, চাদনী, অনন্ত সাগর, Crape jasmine, Carnation of India ইত্যাদি নামেও ডাকা হয়। এর বৈজ্ঞানিক নাম Tabernaemontana Pandacaqui. কাঠমালতী গাছ চীন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, পাপুয়া নিউগিনি, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি স্থানে পাওয়া যায়।
মালতী নাম হলেও এটি টগর গোত্রের ফুল। টগর ফুল গাছের সঙ্গে এই গাছের অনেক মিল। শুধু ফুল দেখতে কিছুটা আলাদা। একটু বড় ডালপালা ছড়িয়ে হয় কাঠমালতীর গাছ।
এই গাছ ১.৫-৪ মিটার লম্বা ও চিরসবুজ উদ্ভিদ। ঝাঁকড়া মাথার জন্য এই গাছ সুন্দর। ডালগুলোও সোজা ওঠে না, বহু শাখাপ্রশাখা নিয়ে বাগানের শোভা বাড়ায়। সুন্দর করে ছেঁটে দিলে চমৎকার ঘন ঝোপ হয়। কলম করে চারা করা যায়, আবার বর্ষাকালে ডাল লাগালেও গাছ হয়।
কাঠমালতীর ভেষজগুণ রয়েছে। নিচে কাঠমালতী ফুলের ভেষজগুণ তুলে ধরা হলো-
১. শ্বাসের সমস্যায় কাঠমালতী গাছের পাতার রস খেলে উপকার পাওয়া যায় বলে কারো কারো ধারণা।
২. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে উপকারী কাঠমালতী পাতার রস।
৩. পাতা ও ফুলের রস উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
৪. এ ছাড়া এ গাছের মূল দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে আমাশয় ভালো হয়।
৫. গায়ে চুলকানি হলে কাঠমালতী গাছের শেকড় সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে গোসল করলে উপকার পাওয়া যায়।