ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ তথ্য প্রযুক্তি ]

দেশে কিস্তিতে স্মার্টফোন কেনার সুযোগ, মানতে হবে যত শর্ত

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪:৫৩, ৮ জুলাই ২০২৩
দেশে কিস্তিতে স্মার্টফোন কেনার সুযোগ, মানতে হবে যত শর্ত
বিটিআরসির লোগো- ফাইল ফটো

দেশের গ্রাহকদের জন্য কিস্তিতে স্মার্টফোন কেনার সুযোগ করে দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এ বিষয়ে মোবাইল অপারেটরগুলোকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। গ্রাহক পর্যায়ে ১২ মাসের (এক বছর) কিস্তিতে স্মার্টফোন বিক্রি করতে পারবে অপারেটররা। এক্ষেত্রে মোবাইল অপারেটরদের কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে, যা অবশ্যই পালন করতে হবে।

গত ৪ জুলাই বিটিআরসি থেকে মোবাইল অপারেটর কর্তৃক গ্রাহক পর্যায়ে কিস্তিতে দেওয়া স্মার্টফোনসমূহে সিম লকিং বা নেটওয়ার্ক লকিং চালুকরণ সংক্রান্ত নির্দেশনা ও অনুমতি দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, মোবাইল অপারেটরদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সারাদেশে ফোর-জি নেটওয়ার্ক বৃদ্ধির পাশাপাশি স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গ্রাহক পর্যায়ে কিস্তিতে স্মার্টফোন সরবরাহ করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে মোবাইল অপারেটরদের কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে, যা আবশ্যিকভাবে পালন করতে হবে।

Advertisement

শর্তগুলো হলো-
১) এ ধরনের সেবার ক্ষেত্রে দুই বা ততোধিক সিমের দুটি স্লট সম্বলিত স্মার্টফোন হতে হবে। যেখানে একটি স্লটে এই সেবা প্রদানকারী অপারেটরের সিম থাকবে এবং অন্য স্লটসমূহে গ্রাহকের পছন্দ অনুযায়ী অন্য অপারেটরের সিম ব্যবহারের সুযোগ থাকতে হবে।  

২) কোনো অবস্থাতেই অন্য প্লটসমূহের সিমের ওপর কোনো শর্ত আরোপ করা যাবে না।

৩) মোবাইল অপারেটররা নিজে স্মার্টফোন আমদানি/উৎপাদন/সংযোজন করতে পারবে না এবং শুধু স্থানীয়ভাবে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থেকে স্মার্টফোন কিনতে হবে।

৪) গ্রাহক কর্তৃক মোবাইল অপারেটরকে সর্বনিম্ন ২০ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ মূল্য ডাউন পেমেন্ট হিসেবে ন্যূনতম ৩ মাস থেকে সর্বোচ্চ ১২ মাসের কিস্তিতে পরিশোধ করার সুযোগ থাকতে হবে। তবে গ্রাহক যদি সব কিস্তি নির্ধারিত সময়ের আগে সব বকেয়া পরিশোধ করে তবে নির্ধারিত স্লটটি গ্রাহকের পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো অপারেটরের সিম ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।

৫) স্মার্টফোনের মূল্য পরিশোধ না করে কোনো গ্রাহক এই সেবা প্রদানকারী অপারেটরের এমএনপি করাতে পারবে না।

প্যাকেজ চালু নিয়ে শর্ত
৬) মোবাইল অপারেটর কর্তৃক এ ধরনের সার্ভিস দেওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্যাকেজ চালু করণের আগে বিটিআরসির সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের অনুমতি নিতে হবে।

৭) কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী কিস্তিতে সরবরাহ করা মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট সংক্রান্ত তথ্যাদি প্রতিবেদন কমিশনে নিয়মিত দাখিল করতে হবে।

৮) এছাড়া কমিশন হতে এ সংক্রান্ত পরবর্তীতে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হলে অপারেটর তা মেনে চলবে। নির্দেশনাটি চিঠি দেওয়ার তারিখ থেকে কার্যকর হবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সব সেলুলার মোবাইল অপারেটরের অবগতি ও কার্যার্থে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!