কার্লি জানিয়েছেন, অনেকেই চাকরির বিজ্ঞাপন দেখে নিজের বায়োডেটা সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় পাঠান। অনেক ক্ষেত্রে সেগুলো হয়তো খুলে দেখাও হয় না। তিনি নিজেও বহু বার এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন। চাকরির বিজ্ঞাপনে উল্লিখিত সব নিয়ম মেনে আবেদন জানানোর পরেও কোনো চাকরি তো দূর, ইন্টারভিউয়ের জন্যও ডাক পাননি। কার্লি তাই এমন কিছু করতে চেয়েছিলেন, যাতে তিনি নজরে পড়েন।
যে সংস্থায় এমন অভিনব উপায়ে চাকরির আবেদন করেন কার্লি, সাম্প্রতিক কালে বেসরকারি ঐ সংস্থা নতুন নিয়োগের কোনো বিজ্ঞাপন দেয়নি।
.png)
কার্লি সূত্র মারফত জেনেছিলেন, ঐ সংস্থার দফতরে কোনো একটি অনুষ্ঠান আছে। তাই সুযোগ হাতাছাড়া করতে চাননি। সে দিনই কেকের উপর বায়োডেটা ছাপিয়ে পাঠান কার্লি। তিনি যে কতটা সৃজনশীল, সেটা বোঝানোই কার্লির মূল উদ্দেশ্য ছিল। পুরো বিষয়টি কার্লি নিজের লিঙ্কডিন-এর পাতায় বর্ণনা করেন।
অনেকেই কার্লির ভাবনাকে প্রশংসা জানিয়েছেন। কেউ আবার লিখেছেন, সংস্থার নজরে আসতেই এমন কায়দার আশ্রয় নিয়েছেন ঐ তরুণী। তবে ঐ সংস্থা কার্লির এমন আবেদনে সাড়া দিয়েছে কিনা, তা এখনও জানা যায়নি।
সূত্র: ইয়াহু.কম/ আনন্দবাজার