রোহিঙ্গা গণহত্যার ঘটনায় জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত ‘ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে)’-এ গাম্বিয়ার করা মামলার তৃতীয় ও শেষ দিনের শুনানি চলছে। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে করা এ মামলার বিষয়ে গুরুত্বসহকারে সেখানকার সকল খবর প্রচার করছে ইউরোপীয় গণমাধ্যমগুলো। বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য ও খবর প্রকাশ করেছে সেখানকার পত্রিকাগুলো।
জার্মানির স্পিগেল পত্রিকা কঠোরভাবে সমালোচনা করেছে সু চি’র। তারা লিখেছে, ১৫ বছর ধরে সেনাবাহিনীর হাতে বন্দী থাকা সু চি নিজ দেশের সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে অহিংস প্রতিরোধের কথা বলতে দেশের গণতান্ত্রিক নেত্রী হিসেবে একসময় ইউরোপে এসেছিলেন। আর আজ তিনিই ইউরোপে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে এসেছেন সেই একই সেনাবাহিনীকে রক্ষা করতে। সত্যিই ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস।
.png)
তারা আরো লিখেছে, একসময় মানবাধিকারের জন্য লড়াই করা নোবেল জয়ী এই নারী আজ রোহিঙ্গা গণহত্যাকে বৈধকরণের জন্য যুক্তি প্রদর্শন করছে। এছাড়া কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তাদের সাফাই গাইছেন।
ইউরোপের আরেকটি স্বনামধন্য পত্রিকা ডের যাইট লিখেছে, নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ী সু চি যেভাবে তার রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগকে প্রত্যাখ্যান করছে এতে তার অজ্ঞতা প্রকাশ পাচ্ছে। নিজের সাবেক প্রতিপক্ষকে যেভাবে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন তিনি এতে তার ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।
ফরাসি পত্রিকা লা মদে লিখেছে, একসময় মহাত্মা গান্ধী ও নেলসন ম্যান্ডেলার মত বড় নেতাদের পাশে সু চি’র নাম উদ্ধৃত হত কিন্তু এখন তার নাম বিশ্বের কাছে কলঙ্কিত।