শুক্রবার হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মার্কিন প্রতিনিধিদলটি নিরাপদে আছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি সাংবাদিকদের জানান, প্রেসিডেন্টের পাঠানো প্রতিনিধিদলটি নিরাপদ আছে এবং দাফন অনুষ্ঠানে কাছে গোলাগুলির পর তারা সেখান থেকে চলে আসে। তারা এখন যুক্তরাষ্ট্রের পথে রয়েছে।
জেন সাকি বলেন, হাইতির অস্থিতিশীলতার জন্য আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। হাইতির এই জটিল সময়ে দেশের নেতাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে যাতে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে। জেন সাকি তার ভাষায় আরো বলেন, হাইতির এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে আমরা দেশটির জনগণের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
.png)
প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন হাইতিতে যে প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছিলেন তার নেতৃত্বে রয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত লিন্ডা থমাস গ্রিনফিল্ড। এছাড়া, ওই প্রতিনিধিদলে রয়েছেন হাইতিতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিশেল সিসন, হাইতি বিষয়ক নতুন মার্কিন বিশেষ প্রতিনিধি ড্যানিয়েল ফুটে, ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের শীর্ষ পরিচালক হুয়ান গঞ্জালেজ, মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান গ্রেগোরি মিক্স এবং রিপাবলিকান দলের সদস্য জেফ ফরটেনবেরি।
সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে, দাফন অনুষ্ঠানের কাছে গুলিবর্ষণ করা হয় এবং বিক্ষোভকারীদের ওপর টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করা হয়। এতে মার্কিন প্রতিনিধিদলটি দাফন অনুষ্ঠান ছেড়ে চলে যায়। হাইতির প্রেসিডেন্টকে হত্যার জন্য মার্কিন সরকারের হাত রয়েছে বলে এরইমধ্যে অভিযোগ উঠেছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগন গত বৃহস্পতিবার স্বীকার করেছে যে, ময়েসকে হত্যার সঙ্গে কলম্বিয়ার যে সাবেক সাত সেনা জড়িত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে তারা সবাই কোনো না কোনোভাবে আমেরিকা থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছে।