শনিবার (২৩ অক্টোবর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।
যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশনের তথ্য অনুসারে, এসব অভিবাসীর মধ্যে ১০ লাখের বেশি লোককে মেক্সিকোতে অথবা নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
.png)
এর আগে ২০০০ সালে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে ১৬ লাখ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে আটক করা হয়েছিল। ২০২১ সালের আগে ওটাই ছিল সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ আটকের ঘটনা।
কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন জানায়, এজেন্টরা গত এক বছরে সীমান্ত থেকে অভিভাবক ছাড়া এক লাখ ৪৫ হাজার শিশুকে আটক করে। এসব শিশুর মধ্যে শুক্রবার পর্যন্ত সরকারি হেফাজতে আটক ছিল ১১ হাজার শিশু।
এদিকে অভিবাসন নীতি নিয়ে নিজের অবস্থানের কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জনপ্রিয়তা কমতে শুরু করেছে। এক জনমত জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।
চলতি মাসের শুরুর দিকে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস-এনওআরসি সেন্টার ফর পাবলিক অ্যাফেয়ার্স রিসার্চ সমীক্ষায় মাত্র ৩৫ শতাংশ আমেরিকান বলেছেন বাইডেন প্রশাসনের নীতিকে তারা সমর্থন করেন।
জো বাইডেন তার পূর্বসূরী ডোনাল্ড ট্রাম্প থেকে আরো মানবিক উপায়ে অভিবাসন নীতি প্রনয়ণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু বাইডেন প্রশাসন ক্ষমতায় আসার ৯ মাস পেরিয়ে গেলেও যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত সংকট আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।
কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন বলছে, করোনা মহামারির ফলে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সংখ্যক অভিবাসনপ্রত্যাশী দেশটিতে প্রবেশের চেষ্টা করেছে। যারা অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করছে তারা প্রধানত মেক্সিকো, গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস এবং এল সালভাদর থেকে এসেছে।