বৃহস্পতিবার আফ্রিকার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও জাতিসংঘ এই সতর্কবার্তা দিয়েছে।
জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জানিয়েছে, এই সংকটের প্রভাব পড়তে পারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনরায় অব্যবহারযোগ্য (অটো ডিসপোজেবল) হওয়া ২২০ কোটি সিরিঞ্জের ওপর।
.png)
বিবৃতিতে সংস্থাটি বলেছে, উচ্চআয়ের দেশগুলোতে অতিমানসম্পন্ন যেসব সিরিঞ্জ ব্যবহার করা হয় তার সরবরাহে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি পড়বে বলে আমরা আশা করছি না।
বেশ কয়েক মাস বিলম্বের পর আফ্রিকার দেশগুলোতে করোনার টিকার সরবরাহ বেড়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে টিকার সংকট দেখা দিতে পারে। ইতোমধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা, কেনিয়া ও রুয়ান্ডাকে বিলম্বে সিরিঞ্জ পৌঁছতে দেখা গেছে।
পাথ নামের একটি স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, সিরিঞ্জ সংকট শিশুদের নিয়মিত টিকাদান প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। উৎপাদনকারীদের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিশ্বের শতাধিক দেশে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনরায় অব্যবহারযোগ্য হওয়া সিরিঞ্জ সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস