ফলে ওমিক্রন রুখতে বিদ্যমান সব ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ অবস্থায় এই ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে টিকা তৈরির ঘোষণা দিলো নোভাভ্যাক্স। নতুন বছরের জানুয়ারি থেকে এ নিয়ে পুরোদমে কার্যক্রম শুরু করবে যুক্তরাষ্ট্রের জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানিটি।
এরইমধ্যে প্রাথমিক কাজ শুরু করেছে নোভাভ্যাক্স। তাদের টিকা নিয়েছেন-এমন ব্যক্তিদের দেহে তৈরি অ্যান্টিবডি ওমিক্রন নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম কি না তা গবেষণা করে দেখা হচ্ছে।
.png)
নোভাভ্যাক্স জানায়, ওমিক্রনের স্পাইক প্রোটিনের মতো অ্যান্টিজেন তৈরি করতে শুরু করেছে তারা। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নতুন ভ্যাকসিনের পরীক্ষাও শুরু করবে।
তবে শুধু নোভাভ্যাক্স নয়, ফাইজার, মডার্নার মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলোও ওমিক্রণ প্রতিরোধে টিকা তৈরির কাজ শুরু করেছে।
এর আগে সবাইকে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। তারা জানিয়েছে, ওমিক্রন পুনরায় সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। শঙ্কা করা হচ্ছে, যাদের শরীরে আগে কোভিড-১৯ ছিল, তারা সহজেই এতে ফের সংক্রমিত হতে পারেন। বর্তমান ভ্যাকসিনগুলো এটি প্রতিরোধে সবসময় কার্যকর নয়। ডেল্টার চেয়েও এ স্ট্রেন বেশি সংক্রামক।