ঢাকা,  বুধবার   ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

লেবাননে ফিলিস্তিনি শিবিরে গুলি, নিহত ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮:৫৮, ১৩ ডিসেম্বর ২০২১
লেবাননে ফিলিস্তিনি শিবিরে গুলি, নিহত ৩
ছবি: সংগৃহীত

লেবাননে ফিলিস্তিনিদের একটি উদ্বাস্তু শিবিরে গোলাগুলিতে ৩ জন নিহত হয়েছেন।

রোববার (১২ ডিসেম্বর) বুর্জ আল শিমালি শিবিরে এক ব্যক্তির জানাজার সময় এই গোলাগুলি ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

ফিলিস্তিনের ইসলামপন্থি রাজনৈতিক দল হামাস নিহতরা তাদের সদস্য ছিল বলে জানিয়েছে। এই রক্তপাতের জন্য ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অনুগত বাহিনীগুলোকে দায়ী করেছে তারা।

Advertisement

হামাস তাদের বিবৃতিতে বলেছে, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বাহিনী ন্যাশনাল সিকিউরিটি ফোর্সেস হামলাটি চালিয়েছে।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। তারা হামাসের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন আর শুরু হওয়া তদন্তের ফল না আসা পর্যন্ত সব পক্ষকে অপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

২০০৭ সালে গাজা ভূখণ্ডে স্বল্পস্থায়ী গৃহযুদ্ধের পর থেকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ও হামাস পরস্পরের তিক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছে। ওই লড়াইয়ের পর থেকে গাজা হামাসের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় আর ইসরায়েল অধিকৃত পশ্চিম তীরের ওপর ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সীমিত নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে। ক্ষমতার অংশীদারিত্ব নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধে এ পর্যন্ত পুনর্মিলনের অনেকগুলো প্রচেষ্টা ভেস্তে গেছে।

শুক্রবার রাতে বুর্জ আল শিমালি শিবিরে এক বিস্ফোরণে হামাসের এক সমর্থক নিহত হয়। রোববার তার জানাজার পর গোলাগুলির ঘটনাটি ঘটে।

বিবৃতিতে হামাস বলেছে, “এই ঘটনার জন্য রামাল্লার কর্তৃপক্ষের নেতৃবৃন্দ ও লেবাননে তাদের নিরাপত্তা বাহিনীগুলো সম্পূর্ণভাবে দায়ী বলে মনে করছি আমরা।”

লেবাননের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, গোলাগুলির এই ঘটনায় এক সন্দেহভাজনকে হেফাজতে নিয়েছে ফিলিস্তিনের ন্যাশনাল সিকিউরিটি।

লেবাননে নিযুক্ত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত আশ্রাফ ডাবর বৈরুতে থেকে ফোনে রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলার সময় হামাসের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। এই হামলার পেছনে কারা আছে তদন্ত কমিটি তা বের করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

“আমরা হামাস নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের তদন্ত ফলের জন্য অপেক্ষা করতে বলেছি,” বলেছেন ডাবর।

শনিবার এক বিবৃতিতে হামাস জানায়, শুক্রবার রাতে কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য রাখা অক্সিজেন ও গ্যাস সিলিন্ডার এবং ডিটারজেন্ট ও জীবানুনাশকের একটি গুদামে বৈদ্যুতিক শটসার্কিটের কারণে বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটেছিল।

লেবাননে প্রায় এক ডজনের মতো ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবির হামাস ও ফাতাহ আন্দোলনসহ ফিলিস্তিনি সশস্ত্র উপদলগুলোর নিয়ন্ত্রণে আছে। প্রথা অনুযায়ী লেবাননের কর্তৃপক্ষগুলো এসব শিবিরে প্রবেশ করে না।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!