শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জিজান প্রদেশে হুথিদের ওই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনাটি ঘটে। এতে দুইজন নিহতের পাশাপাশি আহত হয় ৭ জন। আহতদের ৬ জনই সৌদি নাগরিক। একজন বাংলাদেশি। এছাড়া হামলায় মোট ১২টি গাড়ি এবং ২টি দোকান ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
হামলার পরপরই ইয়েমেনে হুথি যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। এছাড়া হুথিদের এই হামলার জবাবে ভবিষ্যতে তাদের লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ আরও বাড়ানোর ঘোষণাও দিয়েছে জোটটি।
.png)
২০১৫ সালে ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট মনসুর হাদিকে উচ্ছেদ করে রাজধানী সানা দখলে নেয় দেশটির ইরান সমর্থিত শিয়াপন্থী হুথি বিদ্রোহীরা। সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন ক্ষমতাচ্যুত হাদি। হুথির ক্ষমতা দখলের পর থেকেই হাদির অনুগত সেনাবাহিনীর একাংশ তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে।
একই বছরের মার্চে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন ডিসাইসিভ স্টর্ম’ নামের সামরিক আগ্রাসন শুরু করে সৌদি-আমিরাতের সামরিক জোট। স্কুল, বাজার, হাসপাতাল, জানাজার নামাজসহ বিভিন্ন স্থানে সৌদি জোটের বিমান হামলায় নিহত হয় লক্ষাধিক বেসামরিক মানুষ। আহত হয় আরও অনেকে। এসকল কিছুর ফলে দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছছে ইয়েমেন।
সূত্র: এপি