ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ার এক লাখের বেশি সেনা মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও মস্কো এখন পর্যন্ত ইউক্রেনে আগ্রাসন চালানোর সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে এসেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো দাবি করছে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে আগ্রাসন চালাতে চান।
মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, ইউক্রেনে রাশিয়া হামলা চালালে তা হবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সর্ববৃহৎ স্থল আগ্রাসন।
.png)
আরো পড়ুন: হঠাৎ মধ্য এশিয়ার তিন দেশের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন
রাশিয়া বলছে, পূর্বদিকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর বিস্তার দেশটির জন্য হুমকি। ইউক্রেনকে যাতে ন্যাটো জোটের অন্তর্ভুক্ত করা না হয় সেজন্য পাশ্চাত্যের কাছে নিরাপত্তার নিশ্চয়তাও চেয়েছে মস্কো। তবে ন্যাটো জোটের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কোনো সাড়া না পেয়ে ইউক্রেন সীমান্তে লাখ-খানেক সেনা মোতায়েন করেছে রাশিয়া।
সোমবার মার্কিন প্রসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেন বিষয়ে আমেরিকার ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বলেন। সেখানে পশ্চিমা দেশগুলোর নেতারা এ বিষয়ে একমত হন যে, ইউক্রেনে হামলা চালালে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ‘কঠোরতম নিষেধাজ্ঞা’ আরোপ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্র
একইসঙ্গে ঘোষণা করেছে, দেশটির সাড়ে আট হাজার সেনাকে ইউরোপে পাঠানোর জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘোষণায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তবে বাইডেন দাবি করেছেন, তিনি পূর্ব ইউরোপে ন্যাটো জোটের শক্তিশালী উপস্থিতি নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।