আলোচনায় ইউক্রেনের নেতৃত্ব দিয়েছেন দেশটির ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ দিমিত্রি কোজাক এবং রাশিয়ার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছে্ন ফ্রান্সে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সেই মেশকভ। ফ্রান্স অস্ত্রবিরতি সম্মত হওয়ার ঘটনাকে ‘শুভ সংকেত’ হিসেবে দেখছে।
২০১৯ সালের পর এই প্রথমবার ইউক্রেন ও রাশিয়া ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদিদের সঙ্গে ইউক্রেনীয় বাহিনীর সংঘর্ষের বিষয় নিয়ে জার্মানি ও ফ্রান্সের সঙ্গে এক যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করতে সম্মত হয়েছে।
.png)
এই ৪ টি দেশ ২০১৪ সাল থেকেই পূর্ব ইউক্রেনে রুশ অধ্যুষিত অঞ্চলে শান্তি আনায়নে কাজ কর করে যাচ্ছে।
আরো পড়ুন: এখনো করোনায় আক্রান্ত হয়নি যেসব দেশ!
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর একজন সহযোগী ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক আগ্রাসনের হুমকির বিষয়ে এই সম্মতি আসেনি। এটি ২০১৪ সাল থেকে পূর্ব ইউরোপে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে ইউক্রেনের সংঘাতের সমাধানের লক্ষ্য নিয়ে দুই পক্ষের অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হয়েছে।
এদিকে রাশিয়ার সেনারা ইউক্রেনের পূর্ব সীমান্তে প্রায় ১ লাখ সেনামোতায়েন করে। ফলে কিয়েভ আশঙ্কা প্রকাশ করে, দেশটি যে কোনো সময় আগ্রাসন চালাতে পারে। এই বিষয়ে ন্যাটোর সঙ্গে রাশিয়ার দফায় দফায় আলোচনাতেও কোনো মীমাংসা হচ্ছে না।
ন্যাটোর দাবি, রাশিয়াকে অবশ্যই সীমান্ত থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে ও কূটনৈতিক উপায়ে সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হতে হবে। ওদিকে রাশিয়াও পূর্ব ইউরোপে ন্যাটোর প্রভাব কমিয়ে আনার দাবি করেছে। তবে এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে যুদ্ধের সম্ভাবনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।