গত কয়েক দশকের মধ্যে এই প্রথম ইউরোপ আবার একটি বড় আকারের যুদ্ধের মুখোমুখি - এমন আশঙ্কা করছেন অনেকে। এরই মধ্যে ইউক্রেনে ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র উস্কানিমূলক তৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম ইন্টারফ্যাক্স।
ওয়েস্টার্ন এভিয়েশন রিসোর্সেস মনিটরিং সেন্টারের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, চলতি জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন ইউক্রেনকে সমরাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম দেয়ার অজুহাতে দেশটিতে ১৫টি ফ্লাইট পাঠিয়েছে। এ খবর এমন সময় প্রকাশিত হলো যখন রুশ সংবাদমাধ্যমগুলো এর আগে ইউক্রেনের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের পক্ষ থেকে সরবরাহ করা সমরাস্ত্রকে ‘পুরনো ও সেকেলে’ বলে উল্লেখ করেছিল।
.png)
ইউক্রেনের পার্লামেন্ট সদস্য ভ্যালেরি সম্প্রতি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র তার দেশে পুরনো অস্ত্র পাঠিয়েছে।
জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত ইউক্রেনে পরিবহন বিমানে করে ২৫০ টন সমরাস্ত্র পাঠিয়েছে। এসব অস্ত্রের বেশিরভাগ কাঁধে বহনযোগ্য ট্যাংক বিধ্বংসী জ্যাভেলিন ক্ষেপণাস্ত্র। রাশিয়ার ট্যাংকের বহর ইউক্রেনে অনুপ্রবেশ করলে সেগুলোকে প্রতিহত করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র কিয়েভকে এই অস্ত্র দিয়েছে।
আরো পড়ুন: বৃষ্টির জন্য কাঁদছে ইথিওপিয়া
ইন্টারফ্যাক্স আরো বলেছে, ব্রিটেনও ইউক্রেনকে ঘিরে সৃষ্ট উত্তেজনার সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করছে। গত দু’সপ্তাহে বেশ কয়েকটি পরিবহন বিমানে করে কিয়েভকে সমরাস্ত্রে সয়লাব করে দিয়েছে ব্রিটেন।
সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকাসহ পশ্চিমা দেশগুলো অভিযোগ করে আসছে যে, ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসন চালাতে চায় মস্কো এবং এজন্য ইউক্রেন সীমান্ত প্রায় এক লাখ সেনা মোতায়েন করেছে রাশিয়া। তবে মস্কো কঠোর ভাষায় এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। রাশিয়া পাল্টা অভিযোগ করে বলেছে, ইউক্রেনে হামলার অজুহাত তুলে দেশটিতে সমরাস্ত্রের ঢল নামিয়েছে পাশ্চাত্য। ইউক্রেনকে ন্যাটো জোটে অন্তর্ভুক্ত করার ব্যাপারেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে মস্কো।