মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নিজেই এ কথা বলেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপ রাশিয়ায় পুতিনের নেতৃত্বকে মার্কিন জনগণের পক্ষ থেকে ‘ধাক্কা’ বলে বর্ণনা করেছেন তিনি।
বাইডেন এ প্রসঙ্গে বলেছেন, আমরা পুতিনের যুদ্ধের ভুর্তকি (আর্থিক যোগানদাতা) হবো না।
.png)
রাশিয়ার বিকল্প বাজার হিসেবে সৌদি আরব, ভেনিজুয়েলা ও ইরানকে সম্ভাব্য বাজার হিসেবে বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিলে তাদের গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল ইউরোপে গ্যাস রপ্তানি বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
আরো পড়ুন>> রাশিয়া-ইউক্রেন ইস্যুতে মধ্যস্থতা করতে চায় চীন
তবে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নও (ইইউ) রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে একটি রূপরেখার পরিকল্পনা করেছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চলতি বছরেই রাশিয়া থেকে গ্যাস আমদানি দুই তৃতীয়াংশ কমাবে। আর ২০৩০ সালের আগে আমাদানি বন্ধ করবে।
মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইইউ জানায়, চলতি বছর রাশিয়ান গ্যাস আমদানি দুই তৃতীয়াংশে নামিয়ে আনবে। আর ২০৩০ সালের আগে তেল এবং গ্যাস আমদানির সামগ্রিক চাহিদা শেষ করবে।
আরো পড়ুন>> ইউক্রেন ও আরব শরণার্থীদের প্রতি কেন ইউরোপের দেশগুলোর দ্বৈত আচরণ
ইইউ আরও জানায়, রাশিয়ার বাইরে অন্য সরবরাহকারীদের থেকে পাইপ লাইনে এবং উচ্চতর এলএনজি গ্যাস আমদানি করে গ্যাস সরবরাহে বৈচিত্র্য এনে রাশিয়ান গ্যাসের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে।
ইইউ তার চাহিদার প্রায় ৪০ শতাংশ প্রাকৃতিক গ্যাসের জন্য রাশিয়ার উপর নির্ভরশীল। আর প্রতিবছর ইইউর আমদানি করা তেলের ২৭ শতাংশই আসে রাশিয়া থেকে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ইউক্রেনে রাশিয়ার অভিযানের ১৩ তম দিন চলছে। এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশের পর ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়ান সেনারা। এ অভিযানের অংশ হিসেবে স্থল, আকাশ ও জলপথে ইউক্রেনে হামলা চালানো হচ্ছে। অভিযান শুরুর পর ইউক্রেনের সেনাবাহিনীও প্রতিরোধের চেষ্টা চালাচ্ছে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলছে।
সূত্র: বিবিসি