সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, এই যুদ্ধে ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার রুশ নাগরিক আহত কিংবা নিহত হয়েছে। তবে গত ২ মার্চের পর থেকে সরকারিভাবে আহত ও নিহতের তথ্য প্রকাশ করেনি রাশিয়া।
ওই সময় রাশিয়া জানিয়েছিল, তাদের প্রায় ৫০০ সেনা নিহত হয়েছে। অথচ, আফগানিস্তানে রাশিয়ার উপস্থিতির ১০ বছরে নিহত হয়েছে ১৫ হাজার সেনা। সেই তুলনায় মাত্র এক মাসেই সমান সংখ্যক রুশ সেনা নিহত হওয়ার দাবি উঠেছে ইউক্রেনে।
.png)
আরো পড়ুন: পদত্যাগ নিয়ে যা বললেন ইমরান খান
ইউক্রেনও নিজেদের সেনা নিহতের ব্যাপারে তথ্য প্রকাশ করছে না। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছিলেন, তার দেশের ১৩০০ সেনা প্রাণ হারিয়েছে।
উল্লেখ্য, পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য কয়েক বছর আগে আবেদন করে ইউক্রেন। মূলত এ নিয়েই রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এর মধ্যে ন্যাটো ইউক্রেনকে পূর্ণ সদস্যপদ না দিলেও ‘সহযোগী দেশ’ হিসেবে মনোনীত করায় দ্বন্দ্বের তীব্রতা আরো বাড়ে। ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য আবেদন প্রত্যাহারে ইউক্রেনের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে যুদ্ধ শুরুর দুই মাস আগ থেকেই ইউক্রেন সীমান্তে প্রায় দুই লাখ সেনা মোতায়েন রাখে মস্কো। তবে এই কৌশল কোনো কাজে না আসায় গত ২২ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দুই ভূখণ্ড দনেৎস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় রাশিয়া। ঠিক তার দুদিন পর ২৪ তারিখ ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরপর রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে ইউক্রেনে এই হামলা শুরু করে। চলমান এই যুদ্ধে এরইমধ্যে ইউক্রেন ছেড়েছেন প্রায় ৩৩ লাখ মানুষ।
সূত্র: বিবিসি