ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

করমর্দন ছাড়াই ইস্তাম্বুলে ইউক্রেন ও রাশিয়ার বৈঠক শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭:২৫, ২৯ মার্চ ২০২২
করমর্দন ছাড়াই ইস্তাম্বুলে ইউক্রেন ও রাশিয়ার বৈঠক শুরু
ছবি: সংগৃহীত

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগানের ইস্তাম্বুলের বসফোরাস প্রণালী তীরবর্তী দপ্তর দলমাবাচে প্রাসাদে রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিদের মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এদিন বৈঠক শুরুর আগে উভয় পক্ষকেই বেশ শীতল মনে হয়েছে। এমনকি বৈঠকের আগে কোনও ধরনের করমর্দনও করেননি উভয় দেশের প্রতিনিধিরা।

দুই দেশের প্রতিনিধিরা লম্বা একটি টেবিলের দুই পাশে মুখোমুখি বসেছেন, এরদোগান তাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার পর আলোচনা শুরু হয়।

প্রায় দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় পর দুই পক্ষ মুখোমুখি আলোচনায় বসলেও এ থেকে বড় ধরনের কোনো সাফল্য আসবে, এমনটি আশা করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স

Advertisement

ভাষণে এরদোগান বলেছেন, রাশিয়ার (ভ্লাদিমির) পুতিন ও ইউক্রেনের (ভলোদিমির) জেলেনস্কি, উভয়েই তার ‘গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু’।

এই শান্তি আলোচনার অগ্রগতি ওই দুই নেতার বৈঠকের পথ প্রস্তুত করবে, এমন আশাবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “তুরস্ক ওই বৈঠকেরও আয়োজন করতে চায়।” 

আরো পড়ুন>> মাত্র ৩০০ বাসিন্দা নিয়ে ‘স্বাধীন দেশ’ হতে চায় যে গ্রাম

বৈঠকে উপস্থিত রাশিয়ার ও ইউক্রেন প্রতিনিধি দলকে তিনি বলেন, “উভয় পক্ষেরই যথাযথ উদ্বেগ আছে কিন্তু আমরা এমন একটি মুহূর্তে পৌঁছেছি যখন আলোচনার মাধ্যমে বাস্তব ফলাফল আসা দরকার।”   

ইউক্রেনের যুদ্ধ পঞ্চম সপ্তাহে প্রবেশ করায় ‘গভীর দুঃখ’ প্রকাশ করেন এরদোগান। উভয় দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব তুরস্কের জন্য মধ্যস্থতার বাধ্যবাধকতা তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

“এই শোচনীয়তা থামানোর বিষয়টি উভয়পক্ষের হাতে রয়েছে,” বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, “একটি ন্যায্য শান্তিকে হারতে দেওয়া যাবে না এবং লড়াই চলতে থাকলে কেউ লাভবান হবে না।

আরো পড়ুন>> নেশার ঘোরে ঘুমন্ত সন্তানকে হত্যার পর পোড়ানোর চেষ্টা বাবার!

“এই রকম একটি সংকটময় সময়ে আপনাদের স্বাগত জানাতে পেরে এবং আপনাদের শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগে অবদান রাখতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমি আশা করছি, আমাদের বৈঠক ও আলোচনা আপনাদের দেশের জন্য, আমাদের অঞ্চলের জন্য এবং পুরো মানবজাতির জন্য শুভ হবে।”

তিনি আশু যুদ্ধবিরতির জন্য দুই পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। 

তুরস্ক নেটো সামরিক জোটের সদস্য দেশ হলেও রাশিয়ার সঙ্গে দৃঢ় মিত্রতা ধরে রেখেছে। মস্কোর বিরুদ্ধে পশ্চিমাদের ঢালাও নিষেধাজ্ঞার মিছিলে যোগ দেননি এরদোগান। এখনও নেটোর সদস্য যে কয়েকটি দেশ এমন অবস্থান ধরে রেখেছে তুরস্ক তাদের অন্যতম।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!