এই বক্তব্যের মাধ্যমে ভ্লাদিমির পুতিন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্রের কথাই বলেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। তবে যুদ্ধে যেন রাশিয়াকে ইউক্রেন হারাতে পারে, সেজন্য কিয়েভের সহযোগী দেশগুলো অস্ত্র সরবরাহ বাড়িয়েছে। পশ্চিমা কর্মকর্তারা বলেছেন, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে রাশিয়া ব্যাপক প্রতিরোধের মুখে পড়েছে।
আরো পড়ুন: ইউরোপের আরো দেশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধের হুমকি রাশিয়ার
.png)
রাজধানী কিয়েভের আশপাশের এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের পর গত সপ্তাহেই রাশিয়া ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় ডনবাস অঞ্চলে ব্যাপক আক্রমণ চালিয়েছে। যদিও কর্মকর্তারা বলছেন, ইউক্রেনীয়দের প্রতিরোধের কারণে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছে।
এদিকে মস্কো পোল্যান্ড ও বুলগেরিয়ায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার পর ইউরোপিয়ান কমিশন রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ তুলেছে। কমিশনের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, রাশিয়া প্রমাণ করেছে যে সরবরাহকারী দেশ হিসেবে তারা নির্ভরযোগ্য নয়।
তবে ক্রেমলিন বলেছে, পশ্চিমা দেশগুলোর অবন্ধুসুলভ আচরণের কারণেই রাশিয়া এটি করতে বাধ্য হয়েছে। রুবলে অর্থ পরিশোধ না করায় রাশিয়ার সরকারি কোম্পানি গ্যাজপ্রম বুধবার পোল্যান্ড ও বুলগেরিয়ায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।