ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার অভিযানের প্রায় দুই মাস পূর্ণ হতে চলেছে। এখন পর্যন্ত ২৫টি পশ্চিমা দেশ ইউক্রেনকে সমরাস্ত্র সরবরাহ করে রুশবিরোধী যুদ্ধে কিয়েভকে সহযোগিতা করেছে। রাশিয়া বলছে, ইউক্রেন দখল করার কোনো ইচ্ছে তার নেই।
আরো পড়ুন: নাইজেরিয়ায় দুর্ঘটনার পর বাসে আগুন, দগ্ধ হয়ে ২০ জনের মৃত্যু
.png)
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট তার বক্তব্যে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ডনবাস অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হবেই। দোনেস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চলের নাগরিকদের কিয়েভের অত্যাচার থেকে রক্ষা করতে রাশিয়া কাজ করে যাবে বলেও তিনি ঘোষণা করেন। পুতিন বলেন, ওই দুই অঞ্চলের অবস্থা বিগত বছরগুলোতে শোচনীয় হয়ে পড়েছিল এবং সেখানকার জনগণ কঠিন পরিস্থিতিতে দিনাতিপাত করছিল। গত আট বছর ধরে ইউক্রেনের সেনারা ডনবাস অঞ্চলে বোমা ও গুলিবষণ করে আসছিল বলে দুঃখ প্রকাশ করেন ভ্লাদিমির পুতিন।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় রুশ ভাষাভাষি অধ্যুষিত ডনবাস অঞ্চলকে বেসামরিকীকরণের লক্ষ্যে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করেন। আমেরিকা ও ইউরোপীয় দেশগুলো এই অভিযানকে ‘পুতিনের ভূমি জবরদখল’ বলে উল্লেখ করেছে। এসব পশ্চিমা দেশ মস্কোর বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তরে রাশিয়া বলছে, ইউক্রেন মস্কোর একগুচ্ছ দাবি মেনে নিলে সামরিক অভিযান বন্ধ হবে না। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে, ইউক্রেনকে এই অঙ্গীকার করতে হবে যে, সে কখনো ন্যাটো জোটে যোগ দেবে না।