মক্কা মসজিদ আল হারামে পৌঁছানোর পর, গ্র্যান্ড মসজিদ এবং মসজিদে নববীর জেনারেল প্রেসিডেন্সির বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা তাকে স্বাগত জানান।
২০১৭ সালের পর এই প্রথম এরদোগান বৃহস্পতিবার সৌদি আরবে পৌঁছেন। জেদ্দার আল-সালাম প্রাসাদে দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম বাদশাহ সালমান এবং ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান তাকে স্বাগত জানান। - এসপিএ
.png)
২০১৮ সালে ইস্তাম্বুল কনস্যুলেটে সৌদি আরবের একটি টিম রিয়াদের কট্টর সমালোচক সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যা করে। ওই ঘটনার পর এটি সৌদি আরবে এরদোয়ানের প্রথম সফর।

ধারনা করা হচ্ছে, সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রিয়াদের সঙ্গে অবনতি হওয়া সম্পর্ক জোরালো করতেই এরদোয়ানের এ সফর।
মিশর, ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবসহ বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ঝালাই করতে চায় তুরস্ক। এছাড়া অর্থনৈতিক সহায়তার জন্যও দেশটি অনেক উপসাগরীয় রাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। কারণ ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ ও ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির মুখে দেশটির অর্থনীতি কিছুটা হোঁচট খেয়েছে।